ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
মানচিত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া: একটি আপসহীন উপাখ্যান ও কোটি জনতার প্রার্থনা
মোঃ সহিদুল ইসলাম সুমন
প্রকাশ: Sunday, 30 November, 2025, 2:53 PM

মানচিত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া: একটি আপসহীন উপাখ্যান ও কোটি জনতার প্রার্থনা

মানচিত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া: একটি আপসহীন উপাখ্যান ও কোটি জনতার প্রার্থনা

বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশটা গত কয়েকদিন ধরেই বেশ গুমোট, যেন এক অজানা আশঙ্কায় থমকে আছে চারপাশ। খবরটা আমাদের কানে আসছে বারবার - বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, ভীষণ অসুস্থ। হাসপাতালের চার দেয়ালের ভেতর জীবনের এক কঠিনতম লড়াই লড়ছেন তিনি। এই খবরটি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের অসুস্থতার খবর নয়, এটি এমন একজন নারীর জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণের গল্প, যিনি গত চার দশক ধরে বাংলাদেশের ধুলো-মাটি আর মানুষের সাথে মিশে আছেন ওতপ্রোতভাবে। আজ যখন এভারকেয়ার হাসপাতালের কেবিনে শুয়ে তিনি শ্বাস নিতে কষ্ট পাচ্ছেন, তখন আসলে কষ্ট পাচ্ছে পুরো বাংলাদেশ। কারণ, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি নাম নন, তিনি একটি ইতিহাস, একটি প্রতিষ্ঠান এবং কোটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক অবিচল বিশ্বাসের নাম। একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে রাষ্ট্রনায়ক, এরপর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা এবং আজকের এই ধুঁকতে থাকা শরীরেও ইস্পাতকঠিন মনোবলের অধিকারী মানুষটি - এই দীর্ঘ যাত্রাপথ কোনো রূপকথার গল্প নয়, বরং রক্ত, ঘাম আর ত্যাগের এক মহাকাব্য। আমি যখন এই লেখাটি লিখছি, তখন আমার চোখের সামনে ভাসছে আশির দশকের সেই উত্তাল রাজপথ, যেখানে একজন সদ্য বিধবা নারী, যার শোকার্ত হওয়ার কথা ছিল, ঘরের কোণে নিজেকে গুটিয়ে ফেলার কথা ছিল, তিনি নেমে এলেন রাস্তায়। হাতে তুলে নিলেন এক ভেঙে পড়া দলের পতাকা। সেই যে তিনি নামলেন, আর পেছনে ফিরে তাকাননি।

দেশের আজকের এই দিনে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা আমাদের খুব প্রয়োজন, কারণ এই দেশটির সার্বভৌমত্ব আর আত্মমর্যাদার প্রশ্নে তার মতো মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানো মানুষের আজ বড় অভাব। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের দিকে তাকালে যে শব্দটি সবচেয়ে বেশি প্রতিধ্বনিত হয়, তা হলো - ‘দেশপ্রেম’। কিন্তু এই দেশপ্রেম কোনো পাঠ্যবইয়ের মুখস্থ করা বুলি ছিল না। তিনি এমন এক সময়ে হাল ধরেছিলেন যখন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি তার অস্তিত্বের সংকটে ভুগছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর অনেকেই ভেবেছিলেন বিএনপি নামক দলটির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভাঙা কাঁচ জোড়া লাগানোর মতো অসম্ভব কাজটি তিনি করেছিলেন কেবল নিজের মনের জোরে আর দেশের মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসায়। তাকে দেশপ্রেমের পরীক্ষা দিতে হয়েছে বারবার, এবং প্রতিবার তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে। বিশেষ করে বহিঃশত্রুর চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে দেশের স্বার্থ রক্ষা করার প্রশ্নে তিনি যে আপসহীন মনোভাব দেখিয়েছেন, তা সমসাময়িক রাজনীতিতে বিরল। আমরা দেখেছি, কীভাবে তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কখনোই দেশের এক ইঞ্চি মাটি বা স্বার্থ বিসর্জন দেননি। ফারাক্কা লং মার্চ থেকে শুরু করে সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদ - প্রতিটি ক্ষেত্রে তার কণ্ঠস্বর ছিল স্পষ্ট এবং তীক্ষ্ণ। তিনি কখনোই নতজানু পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না। তার এই ‘না’ বলতে পারার ক্ষমতা তাকে আন্তর্জাতিক মহলে হয়তো সবসময় প্রিয়পাত্র করেনি, কিন্তু দেশের মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সার্বভৌমত্বের প্রতীক।

একজন লেখক হিসেবে আমি যখন পেছনের দিকে তাকাই, আমি দেখি নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার সেই রৌদ্রকরোজ্জ্বল উপস্থিতি। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে শেখ হাসিনা এবং অন্য দলগুলোর সাথে যুগপৎ আন্দোলন করলেও, বেগম জিয়ার অবস্থান ছিল সবচেয়ে কঠোর। তখন তার উপাধি হয়ে গিয়েছিল ‘আপসহীন নেত্রী’। এই উপাধি কেউ তাকে উপহার দেয়নি, তিনি এটি অর্জন করেছিলেন। তাকে প্রলোভন দেখানো হয়েছিল, ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছিল, এমনকি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কুৎসা রটানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি ছিলেন অনড়। তিনি বলেছিলেন, স্বৈরাচারের পতন না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঘরে ফিরবেন না এবং তিনি ফিরেননি। সেই সময়কার রাজপথের স্লোগানগুলোতে কান পাতলে আজও শোনা যায় তার নাম। সেই আন্দোলনের ফসল হিসেবেই বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছিল সংসদীয় গণতন্ত্র। তাই আজ যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন, বাকস্বাধীনতার কথা বলেন, তাদের মনে রাখা উচিত - এই গণতন্ত্রের প্রসূতি ঘরে যিনি আজ অসুস্থ হয়ে শুয়ে আছেন, তার অবদান অস্বীকার করা মানে নিজের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করা। তার কর্মময় জীবনের দিকে তাকালে আমরা দেখি সাফল্যের এক দীর্ঘ তালিকা। তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। মুসলিম বিশ্বের একজন নারী হিসেবে এই রেকর্ড গড়া চাট্টিখানি কথা নয়। কিন্তু তার সাফল্য কেবল নির্বাচনে জয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি যখন ক্ষমতায় এলেন, তখন বাংলাদেশ এক নতুন যুগের সন্ধিক্ষণে। তিনি বুঝলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী অর্থাৎ নারীদের পেছনে ফেলে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়।

আজ যে গ্রামের পথ দিয়ে দলে দলে মেয়েরা স্কুলে যায়, এই দৃশ্যপটের মূল কারিগর বেগম খালেদা জিয়া। নারী শিক্ষার প্রসারে তার নেওয়া অবৈতনিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং উপবৃত্তি প্রকল্প ছিল এক বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। এর আগে মেয়েদের বোঝা মনে করা হতো, কিন্তু তিনি মেয়েদের হাতে বই তুলে দিয়ে তাদের সম্পদে পরিণত করলেন। এই একটি সিদ্ধান্ত পাল্টে দিয়েছে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির চেহারা। পোশাক শিল্পে যে লক্ষ লক্ষ নারী শ্রমিক আজ দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরাচ্ছেন, তাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল সেই শিক্ষা আর আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে, যা বেগম জিয়া তাদের মধ্যে বুনে দিয়েছিলেন। তিনি যখন মুক্তবাজার অর্থনীতির দুয়ার খুলে দিলেন, তখন অনেকেই সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু আজকের আধুনিক বাংলাদেশ, যেখানে ব্যবসার প্রসার ঘটেছে, মানুষের হাতে পণ্য ও সেবা পৌঁছেছে সহজে, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল সেই সময়েই। তিনি পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন নিষিদ্ধ করেছিলেন, যা ছিল দূরদর্শী এক সিদ্ধান্ত। সামাজিক বনায়ন, খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি গ্রামবাংলার চেহারা ফেরানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, চাইলে নিজেদের অর্থায়নেও অনেক কিছু করা সম্ভব। তিনি সবসময় চেয়েছেন বাংলাদেশ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়।

আজকের এই কঠিন সময়ে, যখন তার শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা জটিল রোগ, তখন তার প্রতি যে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে গত কয়েক বছরে, তা ইতিহাসের পাতায় এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক এবং সর্বোপরি একজন অসুস্থ নারীকে বছরের পর বছর ধরে যেভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছে, উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তা কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়। এই দীর্ঘ কারাবাস, এই একাকীত্ব, এই মানসিক নির্যাতন - সবকিছু তিনি সহ্য করেছেন অবিশ্বাস্য এক নীরবতায়। তিনি কোনো সমঝোতা করেননি। চাইলে হয়তো অনেক আগেই তিনি বিদেশে চলে যেতে পারতেন, আরাম-আয়েশের জীবন বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি মাটি কামড়ে পড়ে আছেন এই দেশেই। কারণ তিনি জানেন, তার অস্তিত্ব এই বাংলার মাটির সাথে মিশে আছে। এই যে মাটি কামড়ে পড়ে থাকা, এই যে শত কষ্টের মাঝেও নিজের নীতিতে অটল থাকা - এটাই বেগম খালেদা জিয়া।

তার রাজনৈতিক জীবনে বহিঃশত্রুর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার বিষয়টি বারবার এসেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তাকে মাইনাস করার যে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা তিনি রুখে দিয়েছিলেন কেবল তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে। তাকে যখন জোর করে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হলো, তিনি বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, "বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই, এই দেশই আমার সব।" এই একটি বাক্য তাকে অমর করে রাখার জন্য যথেষ্ট। তিনি জানতেন, তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া মানে বাংলাদেশকে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করা। তাই তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। আজও, যখন তিনি হাসপাতালের বিছানায়, তখনও তার উপস্থিতি প্রতিপক্ষের মনে ভীতি সঞ্চার করে। কারণ তারা জানে, খালেদা জিয়া মানে কেবল একটি শরীর নয়, খালেদা জিয়া একটি চেতনার নাম। সেই চেতনা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের। তিনি বিশ্বাস করতেন, বন্ধুত্বের হাত বাড়ানো মানে এই নয় যে নিজের হাত কেটে দিতে হবে। ভারতের সাথে সম্পর্ক, চীনের সাথে বন্ধুত্ব বা মুসলিম বিশ্বের সাথে যোগাযোগ - সব ক্ষেত্রেই তিনি জাতীয় স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দিয়েছেন। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার বিপক্ষে ছিলেন। এই যে দরকষাকষির ক্ষমতা, এই যে চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস - এটা আজকের দিনে বড্ড বিরল।

আমাদের মনে রাখতে হবে, তিনি এমন এক সময়ে রাজনীতিতে এসেছিলেন যখন তার হাতে কিছুই ছিল না। দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে তিনি অকূল পাথারে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছেন, দলকে গড়ে তুলেছেন, দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার জীবনে ট্র্যাজেডির শেষ নেই। স্বামী হারিয়েছেন, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে হারিয়েছেন অকালে। ছেলের লাশ দেখার জন্য যখন তিনি গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় অপেক্ষা করছিলেন, সেই দৃশ্য দেখে পাষাণ হৃদয়ও গলে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি ভাঙেননি। শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন। আজ তার বড় ছেলে তারেক রহমান নির্বাসনে। এই একাকী মা, সমস্ত হাহাকার বুকের ভেতর চেপে রেখে আজও দেশের কথা ভাবেন। তার এই যে তিতিক্ষা, এটা কি কেবল ক্ষমতার জন্য? ক্ষমতা তো তিনি দেখেছেন। এখন জীবনের সায়াহ্নে এসে তার তো আর কিছু পাওয়ার নেই। তবু তিনি লড়ছেন। এই লড়াইটা গণতন্ত্রের জন্য, এই লড়াইটা মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য।

আমরা চাই তিনি আবার কথা বলুন। তার সেই ভরাট কণ্ঠস্বর আবার শুনুক বাংলাদেশ। কারণ, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে তার প্রয়োজন অপরিসীম। তিনি সুস্থ থাকলে গণতন্ত্রের পথটা একটু হলেও মসৃণ হবে। ভাবুন তো সেই সময়ের কথা, যখন তিনি মাইলের পর মাইল হেঁটেছেন বন্যাদুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য। কাদার ভেতর দিয়ে, বৃষ্টির মধ্যে ভিজে তিনি মানুষের হাতে ত্রান তুলে দিয়েছেন। সেই ছবিগুলো কি ভোলা যায়? তিনি তো পারতেন হেলিকপ্টারে করে গিয়ে ওপর থেকে ত্রান ছুঁড়ে দিতে কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি মানুষের চোখের ভাষা পড়তে জানতেন। তিনি জানতেন, ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ত্রানের চেয়েও বড় হলো সহমর্মিতা। এই যে মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা, এটাই তাকে ‘দেশনেত্রী’ বানিয়েছে।

পরিশেষে, মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই মহীয়সী নারীকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন। তার শরীরের প্রতিটি কোষে যেন ফিরে আসে নতুন প্রাণশক্তি। তিনি যেন আবার ফিরে আসেন আমাদের মাঝে, তার সেই চিরচেনা দৃঢ়তা নিয়ে। হাসপাতালের নিস্তব্ধতা ভেঙে তিনি যেন আবার বলে ওঠেন, "দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও।" কারণ, যতক্ষণ তিনি আছেন, ততক্ষণ মনে হয় আমাদের মাথার ওপর একটা ছাদ আছে। তিনি আমাদের সাহসের বাতিঘর। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে মেরুদণ্ড সোজা রাখতে হয়, কীভাবে নিজের দেশের স্বার্থের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়তে হয়। এই শিক্ষা, এই আদর্শ বেঁচে থাকুক তার সুস্থতার মধ্য দিয়ে। স্যালুট দেশনেত্রী, আপনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসুন, এই বাংলাদেশ আপনার অপেক্ষায়, কোটি জনতা আপনার অপেক্ষায়।

লেখক : অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও সদস্য, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
Email : msislam.sumon@gmail.com 


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status