|
উজিরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ব্যবসায়ীর উপর সন্ত্রাসী হামলায় আহত দুই থানায় মামলা
এ এইচ অনিক, উজিরপুর
|
![]() উজিরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ব্যবসায়ীর উপর সন্ত্রাসী হামলায় আহত দুই থানায় মামলা মামলার বিবারন ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা যায় উপজেলার শোলক ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড গজেন্দ্র গ্রামের মোঃ সামসুল হক মোল্লার সাথে ওই এলাকার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক মোঃ আলমগীর হোসেন মোল্লার জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে মোঃ সামসুল হক মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা(৩৭) ও তার বোন রিজিয়া বেগম(৬৫) এর উপর হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায় প্রতিপক্ষ আলমগীর মোল্লার ছেলে মোঃ আরিফ মোল্লা (২৬), মোঃ আলমগীর মোল্লা (৬৫), মোসাঃ হেলেনা বেগম (৫৫), ৪। মোঃ রাসেল দেওয়ান(২৫), মোঃ রাজু দেওয়ান (২১)সহ একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। সুত্রে আরও জানান জমিনিয়ে বিরোধে সোহেল মোল্লা ও তার ফুফু রিজিয়া বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাবের লাঠি ও হকিস্টিক সহ দেশীয় লাঠিশোটা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে সন্ত্রাসীর দল। এরমধ্যে সোহেল মোল্লার চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখমের সৃষ্টি হয়। আহতদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা উজিরপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাঃ তাদের অবস্থা বেগতিক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন। এদিকে হামলার ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গুরুতর আহতদের বর্তমানে বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হায়। এ ব্যপারে আহত মোঃ সোহেল মোল্লা,মোসাঃ রিজিয়া বেগম ও স্থানীয় সন্তোষ বাড়ৈ, রাহুল বেপারী,মোঃ সুশান্ত বেপারী, মোঃ মিন্টু সিকদার,মলিনা বেপারী,রানি বালা সহ একাধিক ব্যাক্তি আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন দখলবাজ ভূমিদস্যু আলমগীর ও হোসেন মোল্লা একাধিক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। এবং অন্যের জমি দখল করা তার নেশা ও পেশা বলে জানিয়েছেন তারা। এদিকে হামলার ঘটনায় আহত সোহেল মোল্লার পিতা সামসুল হক মোল্লা বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উজিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। আহত সোহেল মোল্লার পিতা সামসুল হক মোল্লা আমাদের জানান। আমার ছেলে সোহেল মোল্লা ও আমার বোন রিজিয়া বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত ভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার পরেও আমাদেরকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকী ধামকী ও দেয় ঐসব সন্ত্রাসীরা। বার বার চেষ্টার পরেও অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জানান আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ওই হামলাকারী, মামলাবাজ, ভূমিদস্যুদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও আহতদের পরিবার। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
