|
বেতছড়ি বাজার সংলগ্ন মাইনি নদীতে নৌকা ও সেতুর দাবি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর
মোঃ মোবারক হোসেন, খাগড়াছড়ি
|
![]() বেতছড়ি বাজার সংলগ্ন মাইনি নদীতে নৌকা ও সেতুর দাবি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জানা গেছে, বেতছড়ি বাজার থেকে মাইনি নদীর ওপারে অবস্থিত লক্ষী কার্বারি পাড়া, পাকাঞ্জাছড়া, বাজেপাতাছড়া, হাজাছড়া সহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৬০০ মানুষ প্রতিদিন এই নদী পার হয়ে যাতায়াত করেন। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার করার জন্য তাদের মাইনি নদী পারাপারের ওপর নির্ভর করতে হয়। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতের সময় স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হয়। অনেক সময় নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। রোগী পরিবহন ও কৃষিপণ্য বাজারজাত করতেও চরম ভোগান্তির শিকার হন এলাকাবাসী। গ্রামের বাসিন্দা লক্ষী কার্বারি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে আমাদের সন্তানরা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে না। নদীর পানি বেড়ে গেলে পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এখানে একটি সেতু নির্মাণ করা হলে আমরা দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতাম।” স্থানীয় যুবক পাত্তরমনি বলেন, “স্থায়ীভাবে সেতু নির্মাণই সবচেয়ে ভালো সমাধান। তবে আপাতত উপজেলা প্রশাসন ও জোন প্রশাসন যদি একটি নৌকার ব্যবস্থা করে দেয়, তাহলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে আমাদের অনেক কষ্ট লাঘব হবে।” এলাকাবাসী জানান, জুম চাষের বিভিন্ন সবজি, ধান, কলা, ভুট্টাসহ কৃষিপণ্য বাজারে আনতে মাইনি নদীই তাদের একমাত্র ভরসা। নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরাও নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এ বিষয়ে স্থানীয়রা দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং খাগড়াছড়ি-২ আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত একটি নৌকার ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি সেতু নির্মিত হলে কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
