|
স্বামী আমার সঙ্গে এক ঘরে ঘুমাতে চায় না, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা নেই
|
|
স্বামী আমার সঙ্গে এক ঘরে ঘুমাতে চায় না, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা নেই আমাদের বিয়ে হয়েছে কিছু বছর হল। বহুদিন প্রেম করার পর বিয়ে করেছি। সব ভালোই ছিল। একে অপরকে খুব ভালোবেসেছি আমরা। একসঙ্গে থেকেছি, খেয়েছি, আনন্দ করেছি। এমনকী শারীরিক ঘনিষ্ঠতার কোনও অভাব ছিল না। তবে এখন গোটা বিষয়টা বদলে গিয়েছে। এই সময়ে দাঁড়িয়ে সব হয়েছে ছন্নছাড়া। আসলে আমাদের মধ্যে থাকা কেমিস্ট্রি ধীরে ধীরে কমছে বলে মনে হয়। আমি প্রথমে কিছুদিন বিষয়টিকে পাত্ত দিইনি। তবে এখন সেটা আরও প্রকট হয়ে এসেছে। এই বিষয়টি আমার সবথেকে বেশি খারাপ লাগে। আসলে এখন আমাদের মধ্যে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ধীরে ধীরে অনেকটাই কমতে শুরু করেছে। এখন স্বামী আর আমার সঙ্গে শুতে চায় না। আমি বলেলেও ও আলাদা ঘরেই শোয়। এই কারণে আমার মনের ভিতরটা কেমন খাঁ খাঁ করে। কোথায় আমার ভুল, কী ভুল তাও বুঝতে পারছি না। এভাবে যে কতদিন চলবে তাও বোঝা হয়ে যাচ্ছে কঠিন। ওদিকে আবার আরও একটা সমস্যা রয়েছে। আসলে এখন ও আমার সঙ্গে কথাই বলতে চায় না। কিছু বলতে গেলেই কথা ঘুরিয়ে দেয়। বোঝায় যে সে বিরক্ত হচ্ছে। এই অবস্থায় আমি আর মাথা ঠিক রাখতে পারছি না। কোনও ব্যক্তি যদি আমায় পরামর্শ দেন কী করা যায়! আমি এই সমস্যা থেকে মুক্তি চাইছি। -আখি, ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিয়ার আখি এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ আষ্মিন মুঞ্জল বলেন, আমি বুঝতে পারছি আপনার মনে কষ্ট হচ্ছে। তবে এখানে বোঝার বিষয় হল, রোম্যান্টিক কোনও সম্পর্কে স্বামী আর আপনার সঙ্গে থাকতে চাইছেন না। এবার আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে সম্পর্ক থেকে কী চান। শারীরিক সম্পর্ক, ঘনিষ্ঠতা, আনন্দ ছাড়া বিবাহিত জীবন টিকিয়ে রাখা খুবই কঠিন। এই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। এবার আপনাকে সেই পুরনো ছবি মনে করতে হবে। এক্ষেত্রে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে নিজের হানিমুন, ঘুরতে যাওয়া, একসঙ্গে কাটানো প্রথম মুহূর্তগুলি মাথায় রাখতে হবে। তবেই সমস্যা থেকে বের হয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এবার আপনি সেই সময়ের কিছু ছবি বের করুন। সেই ছবিগুলি বড় করে প্রিন্ট করে ঘরের মধ্যে টাঙিয়ে দিন। এমন জায়াগায় লাগান যেখানে স্বামীর চোখে পড়বে এই ছবি। এভাবেই চেষ্টা করুন। সেই আগের দিনের মতো বাঁচুন অহেতুক সমস্যা তৈরি করা যাবে না। বরং পুরনো সময়টা বাঁচুন। এক্ষেত্রে সকালে ওঠার পর কিছু ভালো কথা বলুন স্বামীকে। ভালোবাসার কথা বলতে পারলে আপনি ভালো থাকবেন, এমনকী সঙ্গীর মধ্যেও ফিরে আসবে অনুভূতি। তাই এই বিষয়টা ভুললে চলবে না। নিজের মনের কথা বলুন, লিখে রাখতেও পারেন ওনাকে বলার আগে নিজের সঙ্গেও তো কথা বলতে হবে। এক্ষেত্রে কথাগুলি বলার আগে আয়নার সামনে দাঁড়ান। নিজের চোখের দিকে চোখ রেখে কথাগুলি বলে ফেলুন। আশা করছি কোনও সমস্যা হবে না। এরপর বলে দিন নিজের স্বামীকে। এক্ষেত্রে সারাদিনে ১০ বার নিজেকে আয়নার সামনে রেখে এই কাজটা করুন। চেষ্টা করুন পজিটিভ থাকার। আপনি পজিটিভ থাকলে এই সম্পর্ক এগতে পারবে। নইলে সহজেই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক হয়ে যান। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
