ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ৭ মে ২০২৬ ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
লাশ কাটা ঘরেই বসতি!
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Sunday, 26 May, 2019, 6:53 PM

লাশ কাটা ঘরেই বসতি!

লাশ কাটা ঘরেই বসতি!

পাবনার শালগাড়ীয়া মহাশ্মশানের পাশে লাশ কাটা ঘরটি ছিল পাবনা জেলার একমাত্র মর্গ। এখানেই পাবনার সব অপঘাতে নিহত লাশের ময়নাতদন্ত করা হতো।

২০০৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পাবনা মেডিকেল কলেজ উদ্বোধন হওয়ার পর থেকে পাবনা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গ সেখানে স্থানান্তর করে। এতে মহাশ্মশান এলাকার লাশ কাটাঘরটি অব্যবহৃত থেকে যায়। এ সুযোগে ওই জায়গাটি দখল করে কিছু লোক ঘর তুলে বসবাস ও ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন।





এক সময়ের লাশকাটা ঘরের ভিতরে চলে ক্যারম খেলার বাণিজ্যিক আসর। লাশকাটা ঘরটি ঘেঁষে চারদিকে গড়ে উঠেছে ৩০-৪০ টি টিনের ঘর। সেখানে বসবাস শুরু করে দিয়েছেন ২০-২৫ টি পরিবার। পাকা ভবনও করেছেন কেউ কেউ।

তবে কয়েক কোটি টাকা দামের এ সম্পত্তিটি বেদখল হওয়ার ব্যাপারটি পাবনা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের অজানা। তবে এখন তারা খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

শালগাড়িয়ার প্রবীণ বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম জানান, ছোট বেলা থেকেই লাশকাটা ঘর দেখে আসছি। এ ঘর ছিল নানা গল্প গুজবে ভরা। সেখানে দিনের বেলাতেও কেউ খুব একটা যেত না। কেমন যেন একটা ভৌতিক ব্যাপার কাজ করত। অনেকে সেখানে একা যাওয়ার জন্য বাজি ধরত। এখন শুনেছি সেই লাশ কাটা ঘরের মধ্যেই চায়ের দোকান হয়েছে। লোকজন বসতি স্থাপন করেছে।  

পাবনা জেনারেল হাসপতালের পরিচালক রঞ্জন কুমার জানান, ওই জায়গাটি যেহেতু হাসপাতালের নয় তাই আমাদেরও কিছু করার নেই। জায়গাটি পাবনা পৌরসভার। তাই পৌর কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

পাবনা পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আয়ুব সরদার বলেন, পুরাতন লাশকাটা ঘর পাবনা পৌরসভার নিজস্ব সম্পত্তি। পাবনা রেল লাইনের কাজ শুরু হওয়ার সময় রেলের জায়গায় যারা বসবাস করতেন তাদের উচ্ছেদ করা হয়। এরপর থেকে তারা পুরাতন লাশকাটা ঘরের জায়গায় বসবাস শুরু করেন।

পৌরসভার সার্ভেয়ার মামুন বলেন, পৌরসভার জায়গাতে অবৈধ দখলদারদের ব্যাপারে খুব শীঘ্রই পৌর মেয়রের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট করা হবে।

এ ব্যাপারে পাবনা পৌর মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু বলেন, পুরাতন লাশকাটা ঘর পাবনা পৌরসভার সম্পত্তি। সেখানে প্রায় ১ বিঘা জমি আছে। এর দাম কয়েক কোটি টাকা। ওই সম্পত্তি কারো কাছে ভাড়া বা লিজও দেয়া হয়নি। কেউ যদি অবৈধভাবে দখল করে থাকে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরই মধ্যে এ ব্যাপারে একজন সার্ভেয়ারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status