|
আলফাডাঙ্গায় ইরিব্লকের সেচ মোটর চুরির ঘটনায় থানায় মামলা;গ্রেফতার-২
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() আলফাডাঙ্গায় ইরিব্লকের সেচ মোটর চুরির ঘটনায় থানায় মামলা;গ্রেফতার-২ সরজমিনে ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়ভাগ গ্রামের মৃত খন্দকার মকসুম মোল্লার ছেলে খন্দকার আঃ রউফ(৬৪) এর বসত বাড়ির অনুমান ২০০ গজ পূর্ব পার্শ্বে বাদীর জমিতে ইরিব্লকের সেচের জন্য একটি সেচ মোটর ঘর ছিল। উক্ত ঘরের মধ্য থেকে গত (৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দিবাগত সন্ধ্যা অনুমান ৭.৩০ ঘটিকা হইতে ৮ এপ্রিল ত্ বুধবার সকাল অনুমান ৬.৪৫ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় সেচ মোটর টি চুরি হয়। এ ঘটনায় খন্দকার আঃ রউফ বাদী হয়ে সুমন শেখ (৪০), পিতা- আকুব্বর শেখ, সাং- কোটালীপাড়া, থানা- কোটালীপাড়া, জেলা-গোপালগঞ্জ, হাল সাং- দক্ষিন মালা, রফিক শেখ ২ে১), পিতা- রঙ্গু শেখ, রঙ্গু শেখ (৫৫), পিতা মৃত বালা শেখ, উভয় সাং- দক্ষিন মালা ও লায়েব শেখ(৩৫), পিতা মৃত মধু শেখ, সাং- টিটা, সর্ব থানা- আলফাডাঙ্গা, জেলা -ফরিদপুরাগণসহ আরও অজাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে গত ১৫ এপ্রিল আলফাডাঙ্গা থানা একটি মামলা করেন। মামলা নং-০৯, আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, থানাধীন ৪ নং টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ গ্রামে বাদীর বসত বাড়ির অনুমান ২০০ গজ পূর্ব পার্শ্বে তার নিজ জমিতে একটি সেচ পাম্প বসানো ছিল। ৫ ঘোড়া কোরিয়ান কোম্পানীর একটি সেচ মোটরও ছিল। মোটরের ঘরটি ওয়াল করা গ্লেনসীটের দরজা আরেক স্তর এক পাল্লার জাহাজের সীট যারা দরজা করা। ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যা অনুমান ৭.৩০ ঘটিকার সময় সেচ মোটরটি যথারীতি বন্ধ করিয়া দুইটি দরজায় ৪টি ও মোটরটি শিকলের মাধ্যমে একটি তালা দিয়া বাদী তার বাড়িতে চলিয়া যায়। পরদিন অর্থাৎ ৮ এপ্রিল বুধবার সকাল অনুমান ৬.৪৫ ঘটিকার সময় বাদী সেচ ব্লকে যাইয়া দেখতে পায় তার সেচ ঘরের দরজা খোলা, তালাগুলো ভাঙ্গা এবং সেচ মোটরটিও নাই। উপরে উল্লেখিত আসামীগণ গত ৭ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা অনুমান ৭.৩০ ঘটিকা হইতে ৮ এপ্রিল বুধবার সকাল অনুমান ১০০ ৬.৪৫ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় আমায় সেচ মোটর ও একটি সেলাই রেঞ্জ, একটি প্লাস, একটি টেস্টার ও - একটি ক্র ড্রাইভার চুরি করিয়া নিয়া যায়। পরবর্তীতে বাদী চুরি যাওয়া মোটরের সন্ধানে থাকিয়া আলফাডাঙ্গা ও কাশিয়ানীর বিভিন্ন ভাঙ্গাড়ির দোকান, মোটর মেকানিকের দোকানদারদের কে বিষয়টি জানাইয়া রাখে। এক পর্যায়ে গত ১০ এপ্রিল বেলা অনুমান ১২,০০ ঘটিকার সময় কাশিয়ানী বাসস্ট্যান্ডে ভাঙ্গাড়ির দোকানদার স্বাক্ষী মোঃ ফারুক শেখ ও স্বাক্ষী হুসাইন শেখকে মোবাইল করিয়া জানায় যে, আসামী সুমন শেখ, রফিক শেখ এবং লায়ের শেখ একটি পুরাতন মোটর বিক্রয় করার জন্য তাহার কাছে নিয়াছে। এরপর হুসাইন শেখ বাদীকে বিষয়টি জানালে তখন কাশিয়ানী বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে মোঃ ফারুক শেখ এর দোকানে গেলে সপ জানায় আসামী রঙ্গু শেখ ভাঙ্গারী দোকানদার মোঃ ফারুক শেখ এর দোকানে যাইয়া আসামী সুমন শেখ, রফিক শেখ এবং লায়েব শেখ তাহার জিম্মায় নেয় এবং বিষয়টি হুসাইন শেখ ও বাদীর সহিত মিটমাট করিয়া নিবে। মো: ফারুক শেখ সরল বিশ্বাসে মোটর ও বিবাদীদের ছেড়ে দেয়। কিন্তু আসামী রঙ্গু শেখ পরবর্তীতে বাদীদেরকে কিছুই জানায় না । প্রকাশ থাকে যে, বিগত অনুমান ১ বছর পূর্বে ও আরো ১টি মোটর চুরি করে নেয়। একই ব্লক থেকে একই ঘরের মধ্যে হইতে আমার একটি ৫ ঘোড়া বিজি কোম্পানীর নতুন মোটর চুরি হয়। তাছাড়া এলাকার বহু ভ্যান, নছিমনও চুরি হইয়াছে। চুরির প্রকৃতি দৃষ্টে প্রতিয়মান হয় যে, পূর্বের চুরিগুলো বর্ণিত আসামীরাই চুরি করিয়াছে। চুরি যাওয়া মোটর ও অন্যান্য মালামালের মূল্য অনুমান ৪২,০০০/- টাকা। উক্ত চুরির ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: মন্জুরুল আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় আসামী রঙ্গু শেখ ও লায়েব শেখ কে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছি। বাকী আসামীদের কে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। চুটির ঘটনায় বাকী আসামীদেরকে গ্রেফতারের জন্য বাদী খন্দকার আঃ রউফ ও তার ভাতিজা হোসাইন শেখ সহ একাধিক স্থানীয় ভুক্তভোগীরা উক্ত চোরের উৎপাত থেকে রক্ষা zপেতে ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে থানা পুলিশ সহ মাননীয় আদালতের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
