|
ভান্ডারিয়া ১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট, বিদ্যালয়গুলোকে একীভূত করার প্রস্তাব
মো. মাসুম বিল্লাহ,ভান্ডারিয়া
|
![]() ভান্ডারিয়া ১১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট, বিদ্যালয়গুলোকে একীভূত করার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষক,শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ১১টি বিদ্যালয়ের ৭টি রয়েছে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নে। ১৩৪ নম্বর পশারিবুনিয়া নাথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস করে তবে গতকাল রোববার এ বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৩টি শ্রেণীতে মোট ৬ শিক্ষার্থী ক্লাস করছে। ৪ জন শিক্ষকের স্থলে ৩জন শিক্ষক উপস্থিত রয়েছে। এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। প্রধান শিক্ষক প্রবীন কুমার ভদ্র নিজ চেষ্টায় সম্প্রতি অন্যত্র বদলী হয়ে গেছেন। ১২৪ নম্বর উত্তর পশ্চিম রাজপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাগজ পত্রে ৩২ জন শিক্ষার্থী থাকলেও গতকাল রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ওই বিদ্যলয়ে ৪ টি শ্রেণিতে মোট ১৫ শিক্ষার্থী ক্লাস করছে। বিদ্যালয় ভবনের সংস্কার কাজের জন্য একই শ্রেণি কক্ষে দুই জন শিক্ষক একত্রে পাঠদান করছেন। ৫৬ নম্বর পশারীবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ২২ জন শিক্ষার্থী এ বিদ্যালয়ে ৪ জন শিক্ষক থাকলেও প্রাক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকের পদ শূণ্য। ১৫৮ নম্বর সি পশারিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী রয়েছে ২৬ জন আর শিক্ষক রয়েছে ৪ জন তবে এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও একজন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য,১১২ নম্বর মধ্য পশারীবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এ বিদ্যালয়ে ৩৩ জন শিক্ষার্থীর বিপরিতে ৬ জন শিক্ষক রয়েছে, ১২৮ নম্বর নিজ পশারীবুনিয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৮ জন শিক্ষার্থী বিপরীতে ৪ জন শিক্ষক। এ বিদ্যালয়ে ১ জন সহকারী শিক্ষকের পদশূণ্য, ৫২ নং রাজপাশা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৭ জন শিক্ষার্থী বিপরীতে শিক্ষক ৪ জন। ১১৯ নং পশারীবুনিয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী রয়েছে ৪৬ জন, ওই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, সহকারী শিক্ষক সানজিদা খানম দীর্ঘদিন পূর্বে বিনা ছুটিতে আমেরিকা চলে গেছেন। তবে ওই শিক্ষক বেতন-ভাতা তুলছেন কিনা তা তারা জানেন না । ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ পশ্চিম গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫-২০ জন। ১৫১ নম্বর আতরখালী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থাও একই ২০ জন, এ বিদ্যালয়ে ৪ জন শিক্ষক থাকলেও প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ১০৭ নম্বর পূর্ব গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাগজ পত্রে ৫৩ শিক্ষার্থী থাকলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ৪০ এর কোঠায় বলে সংশ্লিষ্টদের দাবী। এর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছে ৪ জন। ২১ নম্বর হেতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ৪৮ জন। শিক্ষার্থী উপস্থিতি ৩০ এর কোঠায়। এ বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষকের স্থলে রয়েছে ২জন।ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের (৪নং ওয়ার্ড সদস্য) সদস্য মো. ইদ্রিশ আলি মোল্লা বলেন, কাছা কাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার্থী কম। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ অহিদুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থী বৃদ্ধি করতে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে একাধিক বার মত বিনিময় সভা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণকে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে শিশুদের সঙ্গে এবং এদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থী রাড়াতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই সব বিদ্যালয় মার্চ করে একীভূত করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের বরাবরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেব।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
