২০০২ সালে কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে। সম্পর্ণ দুই পা এবং হাতের দশটি আংগুলের চারটি কেটে ফেলতে হয়েছে। রংপুর জেলার কোতোয়ালি কামারপাড়ার আকমল হোসেনের । পরবর্তী সময়ে তিনি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা ইউনিয়নের বাঁশহাটা গ্রামের আলী কসাই এর কন্যা গেন্দি বেগমকে বিয়ে করেন। পঙ্গু হয়েও থেমে থাকেননি করছেন ভিক্ষাবৃত্তি।
শুক্রবার (৩০ জুলাই ২০২১ ইং) গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়াহাট বাজারে রাস্তার উপর হামাগুড়ি দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা গেছে তাকে। আকমল হোসেন বলেন, ভিক্ষা করে কোনোমতে প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ টাকা আয় দিয়েই আমার সংসার চালাই। যদি কেউ সহায়তা করতো তাহলে স্বাচ্ছন্দ্যেই জীবনটা পাড়ি দিতে পারতাম।