|
ঢাকা ও কলকাতার বডি ম্যাসাজ পার্লার সম্পর্কে যে ১০টি তথ্য আপনি জানতে চান
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ঢাকা ও কলকাতার বডি ম্যাসাজ পার্লার সম্পর্কে যে ১০টি তথ্য আপনি জানতে চান ১. প্রথমেই বলে রাখা যাক, শ্রেণি বিভাজনে ম্যাসাজ পার্লারের কিন্তু দু’টি ভাগ রয়েছে। প্রথম ধরনের ম্যাসাজটি হয় নামজাদা বিলাসবহুল হোটেলের স্পা-গুলিতে। দ্বিতীয় ধরনের ম্যাসাজ করা হয় সেইসব পার্লারে যাদের ওই ‘হাই প্রোফাইল’ মার্কা বিজ্ঞাপন আপনি সংবাদপত্রের পাতায়ও মাঝে মাঝে দেখেন। দু’টি ধরনের ম্যাসাজের মধ্যে ভেদরেখাটি অতি সূক্ষ্ম, এবং ক্ষেত্রবিশেষে সেই ভেদরেখা মুছেও যেতে পারে। তবে কখন কীভাবে সেই ভেদরেখা মুছবে তা ব্যাখ্যার অতীত। ২. কলকাতার নানা জায়গায় এবং কলকাতার উপকন্ঠে ছড়িয়ে রয়েছে এইসব পার্লার। কাগজে যে ফোন নম্বরগুলো দেওয়া থাকে, কৌতূহলী হয়ে তাতে ফোন করে বিশেষ লাভ নেই। কারণ যিনি ফোন ধরবেন (অধিকাংশ সময়েই পুরুষ) তিনি কিছু মামুলী প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ব্যতীত কিছুই ভেঙে বলবেন না। ঢাকা শহরেও এর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। ৩. বিজ্ঞাপনে প্রদত্ত নম্বরে ফোন করে আপনি যদি ম্যাসাজ পার্লারে যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং ভাবেন যে, সেই ছুতোয় পার্লারটির ঠিকানা জেনে ফেলবেন তাহলে বিশেষ সুবিধা হবে না। কারণ যিনি ফোন ধরবেন, তিনি একটি ল্যান্ডমার্কের সন্ধান দেবেন মাত্র। বলা হবে, সেখানে আপনি এলে পার্লারের প্রতিনিধি গিয়ে আপনাকে আসল জায়গায় নিয়ে আসবেন। ৪. ‘হাই প্রোফাইল’-এর ধারণা পাঠকমনে কেমন আছে তা জানা নেই, তবে একথা সত্য যে, অনেক উঠতি মডেল বা টিভি-ফিল্মে কাজ না-পাওয়া অভিনেত্রীর দেখা এখানে মিলবে। ৫. যেসব মহিলারা এখানে ম্যাসিওর হিসেবে কাজ করেন তাঁদের সকলেই যে কোনও দালালের খপ্পরে পড়ে এখানে আসেন তা নয়। অনেকেই আছেন যিনি স্বেচ্ছায় এই পেশায় যোগদান করেছেন। ৬. পার্লারে ‘ম্যাসাজে’র কাজটি কতটা বিস্তৃত হবে, শরীরের কোন অংশে ম্যাসাজের কাজটি কেন্দ্রীভূত হবে বা ম্যাসিওর তাঁর হাত ছাড়া আর অন্য কোনও অংশ ম্যাসাজের কাজে ব্যবহার করবেন কি না, সেটা নির্ভর করছে ম্যাসাজের গ্রাহকের চাহিদার ওপর। ৭. একথা জেনে আনন্দিত বা বিস্মিত হতে পারেন যে, এইসব পার্লারের ম্যাসিওররা যে বাধ্যতামূলকভাবে মহিলাই হবেন এমন কোনও কথা নেই। পুরুষ ম্যাসিওরও এখানে উপলব্ধ। ৮. কাগজে বিজ্ঞাপন ছাড়াও আরও নানা উপায়ে ক্রেতাদের আকর্ষণ করা হয়ে থাকে। ইন্টারনেট, বারে কর্মরত টাউট— নানা উপায়ে আগ্রহীরা পৌঁছে যেতে পারেন ম্যাসাজ পার্লারের দ্বারপ্রান্তে। ৯. পার্লারগুলির কর্মীরা সাধারণত পেশাদারি মনোভাবের হন। নির্দিষ্ট শ্রমের বিনিময়ে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক নেওয়ার নীতিতে সাধারণত তাঁরা বিশ্বাসী হন। ১০. এবার লাখ টাকার প্রশ্নটি। ঠিক কী অথবা কী কী হয় এইসব পার্লারের ভিতরে? সেই প্রশ্নের উত্তর কী এত সহজে পাবেন ভেবেছেন? কিছু প্রশ্ন নিরুত্তর ঘুরে বেড়ানোই ভাল নয় কি?
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
