করোনা আতঙ্কে গৃহবন্দি দেশের বেশিরভাগ মানুষ। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের পাশাপাশি ওষুধের দোকানে এখন টান পড়েছে কন্ডোমেরও। মাস্কের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কন্ডোমেরও বিক্রি বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। বিক্রেতাদের কথায় জানা যায় ‘স্টক শেষ।’
বেশিরভাগ কর্মীদের ক্ষেত্রেই ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। তার ওপর কয়েকদিন ধরেই বাড়িতে থাকা নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে চটুল মেসেজ। অনেকে আবার সেই সমস্ত ম্যাসেজে লিখেছেন, ঝগড়া না করে বউকে এবার সময় দিন। কেউ লিখেছেন, অনেক মেসেজে আবার অনুরোধের ভঙ্গিতে বলা হচ্ছে যে বাড়িতে থাকা যেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পথে অন্তরায় হয়ে পড়ে। তবে সেই চটুল মেসেজ সত্যি চিন্তার কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে ওষুধের বিপণিগুলিতে। আজ থেকে আবার ‘লকডাউন’ হল গোটা রাজ্য। ফলে বাড়ি থেকে না বেরিয়ে পুরোপুরি বাড়িতে থেকে স্ত্রীকে সময় দেওয়ার সঙ্গে অনেকেই দিন কাটাচ্ছেন ছুটির মেজাজে। অবসরে যা খুশি তাই করে ফেলার ইচ্ছেটুকুকে সম্বল করে বাড়িতে সুখের দাম্পত্য কাটাচ্ছেন অফিসযাত্রীরা। ঘোড়দৌড়ের চাপে পড়ে তাই যে সকল দম্পতি রোজ ব্যাগ কাঁধে অফিস দৌড়তেন এখন তারাই ‘নিশিরাত বাঁকা চাঁদ আকাশে’ গান গাইছেন। করোনার জেরে রাজ্যের বা দেশের বাইরে ঘুরতে যাতে না পারলেও বাড়িতেই তারা রয়েছেন মেজাজটাকে রাজা বানিয়ে।
করোনার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসকরা সকলের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু যদি সকলে বাড়িতেই থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই সংক্রমণের আশঙ্কা কমই থাকবে। এছাড়া বিশেষজ্ঞরা বলেন,ভালবাসা যে কোনও আতঙ্ককে ভুলিয়ে আত্মবিশ্বাস জোগাতে সক্ষম। বাড়িতে তুলতে পারে সাহসও। আর করোনার সঙ্গে লড়াই করতে গেলে মনের সাহস একান্ত প্রয়োজনীয়।