বহুতল ভবনের খোলা বারান্দায় শারীরিকভাবে মিলিত হয়েছিলেন দু’জনে। তাদের আচরণে ভ্রূ কুঁচকেছিলেন পাশের ভবনের বাসিন্দারা। তবে অন্যরা কী ভাবল তা নিয়ে মাথাব্যথা ছিল না যুগলের।
যদিও তারা মধ্যরাতে বেসামাল হয়ে বারান্দা থেকে নিচে পড়ে যান। পরেরদিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাদের দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে ওই যুগলের নগ্ন মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
জানা গেছে, নিজেদের বাড়িতে বন্ধুদের নিয়ে একটি পার্টির আয়োজন করেছিলেন ইকুয়েডরের ওই যুগল। সেই পার্টিতে উপস্থিত ছিল প্রায় ঘনিষ্ঠ সবাই। হই হুল্লোড়, খাওয়াদাওয়া সবই হয় পার্টিতে। মদ্যপানও বাদ যায়নি।
নেশাতুর অবস্থায় পার্টির আয়োজক ওই যুগল যৌনতায় মেতে ওঠে। একপর্যায়ে ঘর থেকে বারান্দায় চলে যায় দু’জনে। সেখানে নগ্ন অবস্থায় শারীরিকভাবে মিলিত হয় তারা। তাদের কামাতুর চিৎকারে গভীর রাতে আশেপাশের লোকজনের ঘুমও ভেঙে যায়। জানালা খুলে উঁকি দিয়ে বারান্দায় আপত্তিকর অবস্থায় দেখেন তাদের।
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অবাক হয়ে যান প্রতিবেশীরা। তারা দেখেন, বারান্দা থেকে নিচে মাটিতে পড়ে রয়েছেন ওই প্রেমিক-প্রেমিকা। দু’জনের শরীর ভেসে গেছে রক্তে।
কারো গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। পুলিশ বলছে, ওই নারী বিবাহিত। তার বছর আটেকের এক সন্তানও রয়েছে। তবে যুবক বিবাহিত নয় বলে দাবি তদন্তকারীদের। স্থানীয়রা তাদের এক জোড়া জুতা উদ্ধার করেছে।
কিছু জামাকাপড়ও উদ্ধার হয়েছে ওই যুবক-যুবতীর। তাদের মৃত্যু নিছকই দুর্ঘটনা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বছরখানেক আগে ঠিক একইরকম ঘটনার সাক্ষী ছিল দক্ষিণ ফ্রান্স। বারান্দায় যৌনতায় মেতে ওঠেন এক নারী এবং তার পুরুষ বন্ধু। উদ্দাম যৌনতার সময় বারান্দা থেকে নিচে পড়ে যান দু’জনে। যদিও ওই ঘটনায় গুরুতর জখম হন নারী। তার পুরুষ বন্ধুও আঘাত পেয়েছিলেন। তবে তার চোট অত গুরুতর ছিল না।