|
গাজীপুরে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে রোগীর চাপ
ফাহিম ফরহাদ, গাজীপুর
|
![]() গাজীপুরে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে রোগীর চাপ অন্যদিকে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, ডাবের খোসা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ড্রেন ও নালায় দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা নোংরা পানিও এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের অভিযোগ, নগরীর অনেক এলাকায় নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে না। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকায় মশার উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। মশার উপদ্রব বাড়লেও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী। মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলা হলেও ৫৭টি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ এবং নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা বলেন, নগরবাসীর একটি অংশ নির্ধারিত স্থানের বাইরে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। পাশাপাশি জনবল সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আমিনুল ইসলাম জানান, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৯৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে ১০৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার বলেন, ডেঙ্গু শুধু গাজীপুর বা ঢাকার সমস্যা নয়; সারা দেশেই মশাবাহিত এ রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নগরবাসীর দাবি, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে বরাদ্দের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো, বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। তা না হলে সামনে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
