|
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, ফাটলো পর্যটকের ঠোঁট
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, ফাটলো পর্যটকের ঠোঁট সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি কক্সবাজারের চকরিয়া স্টেশন অতিক্রম করার সময় পাথর নিক্ষেপের এ ঘটনা ঘটে। আহত হিমেল দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শালবাগান এলাকার মো. মিজানুর রহমানের ছেলে। কক্সবাজার আইসিজিআরপি ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিক ইসলাম জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রেনটি কক্সবাজার স্টেশন ছেড়ে আসে। চকরিয়া এলাকা অতিক্রম করার সময় বাইরে থেকে একটি পাথর ছুড়ে মারা হয়। পাথরটি নন-এসি কোচের (ঢ বগি) ৩৬ নম্বর আসনে বসা যাত্রী হিমেলের ঠোঁটে এসে পড়ে। এতে সঙ্গে সঙ্গে তার ঠোঁট ফেটে প্রচুর রক্তপাত হয়, তবে দাঁত ভাঙেনি। তিনি আরও জানান, ট্রেনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তাকে পুনরায় চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বিকেলের দিকে ট্রেনটি আবার ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। একই বগিতে থাকা যাত্রীরা জানান, দিনাজপুরের বিরামপুর থেকে ১৮-২০ জনের একটি দল কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সোমবার ট্রেনে করে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। পাথরের আঘাতে হিমেলের নিচের ঠোঁটের ভেতরের অংশ ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। রেলে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা নতুন নয়। গত এক বছরে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত ট্রেনগুলোতে অন্তত ১৪৫ বার পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৯ জন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ট্রেনের দরজা ও জানালাও। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজার রুটে। গত এক বছরে এ রুটে অন্তত ৩৮টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে কক্সবাজার রুটে চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে দুটি ঢাকা-কক্সবাজার এবং দুটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। যাত্রীচাহিদা বাড়লে বিশেষ ট্রেনও চালানো হয়। জনপ্রিয় এ রুটে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা এখন যাত্রীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজারে দায়িত্বরত রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সিআই মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ডুলাহাজারা, চকরিয়া ও হারবাং এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
