ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১ জুন ২০২৬ ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কম্বিং অপারাশেন,মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নামে ভুয়া বিল ভাউচার
ভান্ডারিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা নজরুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 4 April, 2026, 4:05 PM

ভান্ডারিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা নজরুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

ভান্ডারিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা নজরুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

কম্বিং অপারাশেনের নামে,মোবাইল কোর্ট পরিচালনা না করে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম। 

এ ছাড়াও তিনি ভান্ডারিয়ার চরখালী জুনিয়া বাধা জালের ঘাটসহ বিভিন্ন নদী ও খাল এলাকায় জেলেদের অবৈধ জাল পাতার সুযোগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আর তার সহযোগীতায় রয়েছেন তারাই অফিসের দুই সহকারী রনি হোসেন ও অফিস সহায়ক রাশেদ। দুনীর্তির টাকায় তিনি এবং তার স্বজনদের নামে যেমন করেছেন মোটা অংকের ব্যাংক ব্যালাঞ্চ তেমনি নিজ গ্রামের বাড়ি  এবং বরিশালে গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ি।

এ ব্যাপারে জেলার মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী, সচিব, মহাপরিচালক, স্থানীয় প্রসাশনের কাছে একাধিক অভিযোগ দিয়েও এর কোন প্রতিকার পাননি অভিযোগকারীরা। উল্লেখ্য, ফ্যাসিসদের (আওয়ামীলীগ) আমল থেকেই রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় তাদের প্রভাব খাটিয়ে তিনি জেলার ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর, ইন্দুরকানী, নাজিরপুর এলাকায় কর্মরত ছিলেন। তখন থেকেই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে লাখ লাখ টাকার দূর্নীতি করে আসছে।   

এ ব্যাপারে সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ এবং সাবেক এক মৎস্য কর্মকর্তা। তিনিই এসব মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করে এই প্রতিবেদক জানান, তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ আনা হয়েছে তা সব মিথ্যে। তিনি এ সব ঘটনায় জড়িত নন। 

অভিযোগকারীদের দেয়া তথ্যে জানা যায়, সৈয়দ নজরুল ইসলাম বিভিন্ন দলের নাম ভাংগিয়ে দেশীয় জাতের মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্প থেকে জেলেদের মধ্যে গত ২৬ সে জানুয়ারী ও ১০ ফেব্রুয়ারী ১২০ টি বকনা বাছুর বিতরণ করে। জানা গেছে, এ সব বাকনা বাছুর বিতরণে মাস্টার রোলে যে সব জেলেদের নামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাদের কে না দিয়ে তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তালিকাবিহীন লোকজনদের সেই বাকনা বাছুর দিয়ে দেন। এ সময় স্টাম্প বাবদ তালিকাভুক্তদের কাছ থেকে ৫’শ টাকা আদায়সহ প্রতি জেলের নিকট হতে আরও ৫/৭ হাজার করে টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়াও তিনি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে মঠবাড়িয়া উপজেলায় থাকাকালীন সময় গরু, ছাগল, জাল, মাছের পোনা বিতরণ, প্রদর্শনী খামার নামে মাত্র জেলেদের মৎস্য কার্ড দিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। এমনি ভাবে নাজিরপুর,ইন্দুরকানী থাকাকালীন সময় ও বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status