|
ফুলবাড়ীয়ায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, উপকারভোগীর তালিকা নিয়েও প্রশ্ন
মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ
|
![]() ফুলবাড়ীয়ায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, উপকারভোগীর তালিকা নিয়েও প্রশ্ন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি (উফশী) ও রোপা আমন মৌসুমের বীজ, চারা, রাসায়নিক সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। স্থানীয় একাধিক কৃষকের অভিযোগ, প্রকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বাদ দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাদের স্বজন এবং রাজনৈতিকভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের উপকারভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কৃষিকাজের সাথে যুক্ত অনেক প্রকৃত কৃষক এবার সরকারি প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি তাদের। কয়েকজন কৃষক বিতরণ করা সার ও বীজ গ্রহণের সময় কৃষি অফিসের স্প্রে মেকানিক রাজিব হোসেন প্রণোদনার নামে কৃষক প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। রাজিব হোসেনের সাথে কৃষি উপ সহকারী আবু রায়হান ও অফিস সহকারী হীরা মোহন জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। আবু রায়হান স্প্রে মেকানিক রাজিব হোসেনর পক্ষ নিয়ে বলেন অফিস থেকে গোডাউন অনেকটা দূরে তাই ১০/২০ টাকা নিতে পারে, সে ছোট পদে চাকরি করেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তেরটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় ৩ হাজার ৫ শত কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি (পটাশ) সার এবং ৫ কেজি আমন ধানের বীজ দেওয়া হচ্ছে। গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের জন্য বীজ, সার ও বালাইনাশক দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৫শ জন কৃষক বিভিন্ন ধরনের কৃষি প্রণোদনার সুবিধা পাবেন। এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল উপকারভোগীদের অর্থ আদায়ের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ সরকারি প্রণোদনা বিতরণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। উপ পরিচালক এনামুল হক বলেন, টাকা নেয়ার বিষয়ে আমার জানা নেই, তবে আমি বিষয়টি দেখতেছি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
