ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
শ্রীবরদীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ
রাকিবুল হাসান খোকন, শেরপুর
প্রকাশ: Tuesday, 14 July, 2026, 6:53 PM

শ্রীবরদীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ

শ্রীবরদীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ

গত কয়েকদিনের টানা অতি ভারী বর্ষণ, ভারতের পাহাড়ি ঢলের কারনে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়াকাজির চর ইউনিয়নের গড়পাড়া ও মাদারপুর গ্রামের 
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর মাঝে  শুকনো খাবার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসে শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন গড়পাড়া গ্রামে মৃগী নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ টি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার সামগ্রী ও মাদারপুর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০ টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন । 

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মৃগী নদীর ভাঙনের সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন। তিনি নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বিষয়টি দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ, উপজেলা প্রকৌশলী মশিউর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান 
দুলাল মিয়া সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও ভারতের পাহাড়ি ঢলে মৃগী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খড়িয়াকাজির চর ইউনিয়নের গড়পাড়া গ্রামের  নদী পাড়ে বসবাসরত গ্রামবাসীদের ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় চরম সংকটে পড়েছেন।

প্রতিদিন নদীর বুকে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, এমনকি পূর্বপুরুষদের বাড়ির ভিটা । নদীর তীব্র স্রোতের সামনে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে গড়পাড়া গ্রামের দশ থেকে পনেরোটি পরিবার।

ভেঙ্গে যাচ্ছে বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, দোকানপাট, অসংখ্য গাছপালা এবং শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই নতুন নতুন ঘর বাড়ি ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে পড়ছে। ঘর হারানোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপাড়ের মানুষের।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status