|
পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শককে গুলি
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শককে গুলি সায়েদাবাদে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মাদক কারবারি বা সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চলের (দক্ষিণ) খিলগাঁও পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ সময় ফাঁকা গুলি করতে করতে মাদক কারবারিরা এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। জানা গেছে, অধিদপ্তরের দক্ষিণ অঞ্চলের সাত সার্কেল মিলে সায়দাবাদ রেলগেট ও আশপাশের এলাকায় সোমবার সকাল থেকেই মাদকবিরোধী জোরালো অভিযান শুরু করে অধিদপ্তর। দুপুর ১২ টার দিকে সায়দাবাদ রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় খিলগাঁও পরিদর্শক সিদ্দিক ও তার সঙ্গীয় ফোর্স এ সময় তিন ব্যক্তিকে দেখে সন্দেহ হয়। এরমধ্যে একজনকে আটক করলেও বাকি দুজন পালিয়ে যায়। আটককৃত ব্যক্তিকে পরে তল্লাশি করতে গেলে তার সঙ্গে থাকা পিস্তল দিয়ে পরপর চার রাউন্ড গুলি করে। এর মধ্যে ১ রাউন্ড গুলি পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানের বাম পাশের হাটুর নিচে বিদ্ধ হয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে খবর পেয়ে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক একেএম শওকত ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতালে ছুটে আসেন। তারা গুলিবিদ্ধ পরিদর্শকের চিকিৎসা নিশ্চিত করছেন। ঘটনাস্থল থেকে চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। শওকত ইসলাম বলেন, 'মাদক কারবারিদের কোন ধরণের ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা সেখানে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবো।' সংশ্লিষ্টরা জানান, গুলির খোসা দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি পিস্তলের গুলি। পুলিশ এই পিস্তল ব্যবহার করে। ৫ আগস্ট থানা থেকে এই পিস্তলটি লুট হতে পারে। এই পিস্তল দিয়েই মাদক কারবারীরা গুলি করেছে। সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে (ডিএনসি) সরকার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিলেও এখনো তা চূড়ান্ত রুপ পাইনি। অর্থাৎ আগ্নেয়াস্ত চালানোর প্রশিক্ষণ নিলেও এখনো আগ্নেয়াস্ত্র কেউ হাতে পায়নি। এ কারণে অভিযানের সময় পরিদর্শক থেকে কেউই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারছে না। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
