|
বরিশালের সাতলার প্রতিটি মাছের ঘেরে দ্বন্দ্ব সংঘর্ষের আতংকে নিরিহ সাধারণ মানুষ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বরিশালের সাতলার প্রতিটি মাছের ঘেরে দ্বন্দ্ব সংঘর্ষের আতংকে নিরিহ সাধারণ মানুষ এসব কারনে দাম কশা কশির এক পর্যায়ে কয়েকটি ঘেরের প্রকিত জমির মালিকেরা প্রতি বিঘা জমির জন্য ৩ থেকে ৫ হাজার টাকাও পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন জমির মালিকদের একাংশ। এসময় জমি পরিস্কারের জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা সাশ্রয় ও মাছের জন্য ৪ হাজার টাকা বার্তাি পেতেন। মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা পেতেন জমির মালিকেরা। তার পরেও একটি মহল সাতলায় মাছের চাষাবাদ করে রাতারাতি বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক বনে যায়। যেটির উপর নজর পরে অন্য সবার এভাবে এক সময় মাছের চাষাবাদ নামক হিরের খনির উপর অনেকেরই চোখ পড়ে এবং গুমোর পরিষ্কার হতে থাকে। যার জেরে বা ঘের দন্দে ইদ্রিস হাওলাদ ও তার চাচাত ভাই সাগর হাওলাদার খুন হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে সাতলার প্রতিটি মাছের ঘেরে শুরু হয় নুতান হিশাব নিকাশ। কে হবেন কোন ঘেরের কর্তা। যেমন সভাপতি সম্পাদক সহ বড়ো বড়ো পদের মালিক। এ-সব নিয়ে মুড়ি বাড়ি ও পড়ি বারি, নয়াকান্দী পচ্চিম সাতলার মতো কয়েটি ঘেরে কমিটি পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়। তবুও প্রতিটি ঘেরে একাধিক পক্ষ বিপক্ষ তৈরী করে স্বার্থ হাসিলের জন্য ইন্দন যোগাচ্ছ একটি মহল। যাঁরা নিজেদের সুবিধার্থে শান্ত সাতলা ইউনিয়ন কে অ-শান্ত করে তুলেছে। এ-কারণে একই ঘেরে দুই থেকে তিনটি পক্ষ বিপক্ষ হয়ে মাছের পোনা ফেলছে। এর জন্য বার বার হামলা পাল্টা হামলা সহ মামলার মতো ঘটনা ঘটছে। এক পর্যায়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন বি এন পি নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে ঐসব ঘেরের দন্দো কিছুটা কমানো সম্ভব হলেও এবার সাতলার বড়োঘের নামে পরিচিত কুমরিয়ার বিল বা পচ্চিম সাতলার বড়ো ঘেরটি ফাকা থাকার আশংকা করেন এলাকাবাসী। এই ঘেরটি দির্ঘ ১২ থেকে ১৪ বছর মাছের চাষাবাদ করতেন প্রয়াত ইদ্রিস হাওলাদার তার থেকে একপ্রকার জোর দখল করে মাছের চাষাবাদ করেন অপর একটি মহল। এনিয়ে ভাংচুর অগ্নিসংযোগ সহ হামলা মামলা হয় এর জেরেই অকালে মরতে হয়েছে ইদ্রিস ও শাগোর হাওলাদারকে। এদিকে একক পরিচালনায় ঠেডা বারির ঘেরটি ইলিয়াস হাওলাদার দীর্ঘদিন পরিচালনা করে আসলেও মামলা সহ নিভিন্ন কারনে ঘেরটিও প্রকৃত জমির মালিকদের নিয়ে গঠিত কমিটির দখলে রয়েছে ঐ ঘেরটি।অপরদিকে কবির মিয়া সহ ১১ জন মিলে জমির মালিক পরিচয়ে আলামদি বিলের মাঝখানে বালুফেলে একটি বিষাল সড়ক তৈরী করেন এবং মাছের চাষাবাদ শুরুকরেন তারা। বাকি আছে সাতলা বাগধার ধলুরবাড়ি ও মালুর বাড়ির বিল ও পুর্ব আলামদি সহ দুটি বিল। ![]() বরিশালের সাতলার প্রতিটি মাছের ঘেরে দ্বন্দ্ব সংঘর্ষের আতংকে নিরিহ সাধারণ মানুষ গত ২৪ জুন বিকেল ৫ টায় সাতলা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড একতা বাজার বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আঃ জব্বার হাওলাদারের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তৃতা করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ সেলিম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ রহিম বিশ্বাস,সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ জলিল বিশ্বাস,সহ-সভাপতি বাদশা হাওলাদার,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হাওলাদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সহ গন্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ । উল্লেখ্য ২৩ জুন বেলা ১১ টায় সাতলা ইউনিয়নে আলামদির বিলে পড়েথাকা বিস্তীর্ণ প্রায় ৩ শত একর জমিতে নানা সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রকৃত জমির মালিকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি মাছের ঘের করার পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েকটি মিটিং করার পরে হাজার হাজার টাকার বাঁশ ও গড়া কিনে লক্ষ টাকা ব্যায় করে, শত-শত স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মিলাদের মাধ্যমে তাদে কার্যক্রম শুরু করলেও গ্রামের আলামদি গ্রামের মোঃ সবুজ খান, রুহুল খান,হাবিব খান,সাদিক খান, আওয়ামীলীগ নেতা কবির খান, এনামুল হক, জেলাল খান, জাহাঙ্গির খান,আবুল খান,লিয়াকত খান সহ এরা মিলে পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায় এবং একটি ট্রলার লুট করে নেয় এ-সময় সবকিছু ভাংচুর করে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জান গিয়েছে। ![]() বরিশালের সাতলার প্রতিটি মাছের ঘেরে দ্বন্দ্ব সংঘর্ষের আতংকে নিরিহ সাধারণ মানুষ তাই ইতিমধ্যে উভয়ে পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে হামলার ঘটনাটি মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি তবে যোগাযোগ করেও অভিযুক্তদের পাওয়া যায়নি। এ-বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ-ছাড়াও সাতলায় ঘের দন্দে একের পর এক ঘটনার কারন উদঘাটনেও আমাদের দায়িত্ব আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তদারকি করছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
