ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
তোতলামি কেন হয়?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 25 June, 2025, 8:35 PM

তোতলামি কেন হয়?

তোতলামি কেন হয়?

বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের নাম জানেন না, এমন মানুষ কমই আছেন। স্কুলের বন্ধুরা তাঁকে উত্ত্যক্ত করত তোতলানোর জন্য। অ্যারিস্টটলও তোতলা ছিলেন। শুধু তারাই নন, বিশ্বব্যাপী প্রায় সাত কোটি মানুষ তোতলামির সমস্যায় ভুগছেন। 

তোতলামির কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয়কে এর জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়। বংশগত কারণ আসে প্রথমে। গবেষকরা বলছেন, মা-বাবা, ভাই-বোন, মামা, চাচা এমন কারও থাকলে এ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা তিন গুণ বেশি। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বংশগতির ধারক জিনের মিউটেশন বা রূপান্তরের কারণেও হতে পারে তোতলামি।

মস্তিষ্কের কোনো কারণে এ সমস্যা হয় কিনা, তা জানাতে পারেননি গবেষকরা। সম্প্রতি বলা হচ্ছে, মস্তিষ্কের যে অংশ কথা বলার জন্য কাজ করে, তোতলা ব্যক্তিদের সে অংশটি কম কাজ করে। মানসিক চাপ, ভীতি তোতলামির জন্য সরাসরি দায়ী না হলেও এ সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

তোতলামির এ সমস্যা শিশু বয়সে বেশি দেখা দেয়। তবে প্রায় ৮০ শতাংশ শিশু ৮-১০ বছরের মধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়। বাকি ২০ শতাংশ আজীবন তোতলাতে পারে। তাদের মধ্যে আবার কারও সমস্যা বেশি থাকে, কেউ আবার অনেকটা স্বাভাবিকভাবেই কথা বলে। 

তোতলামি হলে সবচেয়ে যে সমস্যা হয় তা হলো কারও সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা। তাদের কথা বলতে বেশি সময় লাগে। মনের ভাব প্রকাশ করা কষ্টকর হয়। অনেকে এতে বিরক্ত হন। ফলে তোতলানো ব্যক্তি দমে যান, বিষণ্নতায় ভোগেন। কর্মক্ষেত্রে তারা সুবিধা করতে পারেন না বলে হতাশ হয়ে পড়েন।

মা-বাবা তোতলা শিশুকে নিয়ে খুব হতাশ হয়ে যান। সমাজের অন্যদের থেকে দূরে রাখেন। এতে সমস্যা আরও বাড়ে। এমনটা করা ঠিক নয়। শিশুকে অন্যদের সঙ্গে মিশতে দিন। কেউ উত্ত্যক্ত করলে ব্যবস্থা নিন। শিশুকে সাহস দিন। দেখবেন, সে আত্মবিশ্বাসী হলে সমস্যা কমে যাবে।

তোতলামি দূর করার চিকিৎসা নেই। তবে কিছু ব্যায়াম বেশ ভালো কাজ করে, বিশেষ করে স্পিচথেরাপি। এভাবে তোতলামি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তবে ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে।

অনেকে মনে করেন, তোতলামি পাপের ফসল। এটি বিভ্রান্তিকর। অনেকে শিশুর চিকিৎসার জন্য মুখের মধ্যে পয়সা রাখেন। এটিও কুসংস্কার। কোনো গবেষণায় 
এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়নি। উল্টো পয়সা গিলে ফেললে শিশু শ্বাসবন্ধ হয়ে মারাও যেতে পারে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status