ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ভিক্ষুকদের পরিবারে স্বচ্ছতা এনেছে সমাজসেবার পুনর্বাসন
মো: সবুজ ইসলাম, রাণীশংকৈল
প্রকাশ: Wednesday, 25 June, 2025, 8:02 PM

ভিক্ষুকদের পরিবারে স্বচ্ছতা এনেছে সমাজসেবার পুনর্বাসন

ভিক্ষুকদের পরিবারে স্বচ্ছতা এনেছে সমাজসেবার পুনর্বাসন

ভিক্ষুক শব্দটি শুনতে রুঢ় শোনালেও এটি একটি বাস্তব সামাজিক সমস্যা। আর সেই ব্যক্তিদের পরিবর্তন করতে পারলেই তারা হবে সমাজের সুন্দর মানুষ। অর্থাৎ মানুষের একটু সহযোগিতা পেলেই যেকোনো পরিস্থিতিতেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব। তেমনি সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেওয়া কিছু আর্থিক সহায়তায় পাল্টে  দিয়েছে সমাজে অবহেলিত ভিক্ষুকদের জীবন। 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, যারা আগে ভিক্ষাবৃত্তির সাথে জড়িত ছিলেন তারা আজ সমাজসেবার পুনর্বাসনে দোকান, ভ্যানগাড়ি গাভী পেয়ে ভালোভাবেই জীবন-যাপন করছেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের সুবিধা পাওয়া নন্দুয়ার ইউনিয়নের মকবুল হোসেন বলেন,এখন বাদাম আর বাড়িতে ছোট একটা দোকানের আয় দিয়ে মোটামুটি ভালোভাবেই চলছি।

রাউতনগর এলাকার শতবর্ষী কালুয়ানী বালা বলেন, আগে ভিক্ষা করে খেতাম। এখন আর ভিক্ষা করে খায় না। অফিসের (সমাজসেবা) দেওয়া টাকায় আমার মেয়ে দোকান চালাচ্ছে।  এতে আমরা মা-মেয়ে খেয়ে চলতে পারছি।

একসময় বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে এমনকি ভিক্ষা করে পরিবার চালাতেন রসুনপুর এলাকার নজরুল ইসলাম। পরবর্তীতে সমাজসেবার দেওয়া টাকায় ভ্যানগাড়ি কিনি এবং ভিক্ষা করা বাদ দেয়। এখন সেই চার্জার ভ্যানগাড়ির আয় দিয়েন আমাদের পরিবার ভালো চলছে বলে জানান তার স্ত্রী। 

বাঁশবাড়ী এলাকার শারীরিক প্রতিবন্ধী সুনীল রায় এর স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীর একটি পা ভাঙা। কাজ করতে পারতো না। ভিক্ষা করেই সংসার চলতো আমাদের। সমাজসেবার দেওয়া দোকান দিয়েই এখন ভালো চলছি আমরা। 

ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় শুধু দোকান আর আর্থিক সহায়তা নয় এমনকি গাভী, ছাগল ভেড়া দিয়েই অনেক ভিক্ষুককে সহযোগিতা করে স্বাবলম্বী করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর।

রাণীশংকৈল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, ভিক্ষুকগণ সমাজের বোঝা হয়ে থাকবেন না, যদি তাঁদেরকে পূঁজি  দিয়ে, প্রশিক্ষণ দিয়ে সঠিকভাবে তদারকি করা হয়। আমরা আমাদের স্বল্প জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ভিক্ষুকমুক্ত সমাজ গড়তে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। যাকাত বা অন্যানা দানের টাকা বিচ্ছিন্নভাবে দান না করে সমন্বিতভাবে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে কাজে লাগানো যেতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা। 




পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status