ডান-হাতি স্পিনার ইফতেখার আহমেদের বোলিং নৈপুন্যে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারী পাকিস্তান। ফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো পাকিস্তান। ম্যাচে ৪০ রানে ৫ উইকেট নেন ইফতেখার।
রোববার রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। ৫৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। তবে চতুর্থ উইকেটে ৬১ রানের জুটি গড়ে দলকে চাপমুক্ত করেন ব্রেন্ডন টেইলর ও সিন উইলিয়ামস।
আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান টেইলর ৩৬ রানে থামেন। তাকে ফিরিয়ে ম্যাচে প্রথম উইকেট শিকার করেন ইফতেখার।
এরপর জিম্বাবুয়ের মিডল-অর্ডারকে তছনছ করে দেন ইফতেখার। আরো ৩ উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়েকে দ্রুত গুটিয়ে দেয়ার পথ তৈরি করেন তিনি।
এ অবস্থায় এক প্রান্ত আগলে দলকে সম্মানজনক স্কোর নিয়ে যাবার চেষ্টা করেন উইলিয়ামস। কিন্তু দলীয় ১৭১ রানে আউট হন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফ-সেঞ্চুরি পাওয়া উইলিয়ামস শেষ পর্যন্ত থামেন ব্যক্তিগত ৭৫ রানে। উইলিয়ামসের ৭০ বলের ইনিংসে ১০টি চার ও ১টি ছক্কা ছিলো।
উইলিয়ামসকে শিকার করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ম্যাচে প্রথমবারের মত পাঁচ বা ততোধিক উইকেট নেন ইফতেখার।
উইলিয়ামস ফিরে যাবার পর নিচের দিকে কার্ল মুম্বা ১১ ও ব্লেসিং মুজারাবানি ১৭ রান করে জিম্বাবুয়ের স্কোর ২শ অতিক্রম করান। তারপরও ২৯ বল বাকী থাকতে ২০৬ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ১০ ওভারে ২ মেডেনে ৪০ রানে ৫ উইকেট নেন ইফতেখার।
২০৭ রানের লক্ষ্যে ভালো শুরু ছিলো পাকিস্তানের। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৮ রান যোগ করেন দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও আবিদ আলি। এরমধ্যে ২২ রান অবদান রেখে ফিরেন আবিদ।
হাফ-সেঞ্চুরি থেকে ১ রান দূরে থাকতে আউট হন ইমাম। ৬১ বলে ৫টি চারে ৪৯ রান করেন তিনি। ফলে ১০০ রানের মধ্যে দুই ওপেনারের বিদায় ঘটে।
তবে পরের দিকের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ছোট-ছোট ইনিংস খেলে পাকিস্তানের ম্যাচ ও সিরিজ জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক বাবর আজম। হায়দার আলি ২৯ ও উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ১ রান করে ফিরেন।
তবে ইফতেখারকে নিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাবর। ৭৪ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় অপরাজিত ৭৭ রান করেন বাবর। ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন ইফতেখার। ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইফতেখার।
আগামী ৩ নভেম্বর একই ভেন্যুতে তৃতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ওয়ানডে ২৬ রানে জিতেছিলো পাকিস্তান।