|
ঢাকা ও কলকাতার ‘এসকর্ট সার্ভিস’-এর রঙিন জগৎ, জেনে নিন ৮টি অজানা তথ্য
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ঢাকা ও কলকাতার ‘এসকর্ট সার্ভিস’-এর রঙিন জগৎ, জেনে নিন ৮টি অজানা তথ্য ১. এসকর্ট সার্ভিস নিয়ন্ত্রিত হয় হয় মূলত ইন্টারনেট-এর মাধ্যমে। বিভিন্ন এসকর্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপনের সাইটেও এঁদের বিজ্ঞাপন দেখতে পাওয়া যাবে। ২. আপনি যদি এই ‘সার্ভিস’-এর ‘সেবা’ পেতে আগ্রহী হন তাহলে নির্দিষ্ট মেইল আইডি বা ফোনের মাধ্যমে আপনার আগ্রহের কথা জানাতে হবে সার্ভিস প্রোভাইডারকে। ৩. সাধারণভাবে এই সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত থাকেন যে মেয়েরা তাঁদের কাজের কোনও নির্দিষ্ট এলাকা থাকে না। আপনি যেখানে চাইবেন সেখানেই তাঁরা পৌঁছে যাবেন। তবে হোটেলের ঘরেই এঁরা বেশি স্বছন্দ বোধ করেন। ৪. এঁদের সার্ভিসের পরিধি বেশ বিস্তৃত। আপনি চাইলে, এবং এঁদের চাহিদামতো পারিশ্রমিক দিতে আপনি সম্মত হলে এঁরা আপনার সঙ্গে দূরদেশে বেশ কয়েকদিনের জন্য বেড়াতেও চলে যাবেন। ৫. এঁদের পারিশ্রমিক একটু চড়া। এক রাত্রের ‘সার্ভিস’-এর বিনিময় হাজার হাজার টাকা দাবি করবেন এঁরা। ৬. এঁদের পারিশ্রমিক অবশ্য আপনি কী ধরনের সার্ভিস চাইছেন তার উপর নির্ভর করছে। ‘সার্ভিস’-এর দাবি যত উদ্ভট হবে তত চড়বে পারিশ্রমিক। ৭. তথাকথিত ‘ভদ্র’ এবং ‘শিক্ষিত’ মেয়েদের দেখাও এসকর্ট সার্ভিসের দুনিয়ায় পাওয়া যাবে। ৮. প্রতিবেদনের শিরোনামে ‘ঢাকা ও কলকাতা’ শব্দটি থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন মফস্সল শহরেও এই সার্ভিসের জাল ছড়িয়ে পড়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
