বলিউডের সাহসী অভিনেত্রী সানি লিওনের জন্মদিন বুধবার (১৩ মে)। অনুরাগীরা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সানির বিভিন্ন ফ্যান পেজ রয়েছে। আর ওই ফ্যান পেজগুলোতে সানির পুরোনো ও নতুন ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা হয়।
সানির জীবনে তার স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জানেন কি, দু’জনের আলাপ কীভাবে হল।
সানি ও ড্যানিয়েলের আলাপ হয়েছিল লাস ভেগাসে। তখন সানি অ্যাডাল্ট ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কুইন হয়ে উঠেছিলেন। দু’জনেরই একই ব্যক্তি বন্ধু ছিলেন। ওই বন্ধুর পার্টিতেই সানি ও ড্যানিয়য়েলের প্রথম দেখা হয়।
সানির সৌন্দর্যে মোহিত হন ড্যানিয়েল। এ যেন প্রথম দেখাতেই প্রেম। ওই সময়ই সানিকে নিজের মনের কথা জানান ড্যানিয়েল। কিন্তু সানি তাতে সাড়া দেননি। তবে ড্যানিয়েল সানির ফোন নম্বর ও ইমেল আইডি চেয়ে নেন।
সানি রাজি না হলে কী হবে, ড্যানিয়েল নিয়মিত ফুল ও ইমেল পাঠাতে ভুলতেন না। তখন সানির মাানসিক অবস্থা ততটা ভালো ছিল না। কারণ, কিছুদিন আগেই তার মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সঙ্গে কিছুদিন আগে সম্পর্ক বিচ্ছেদের ঘটনা থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। এ সব থেকে বেরিয়ে আসতে সানির বেশ কিছুটা সময় লেগেছিল। শেষ পর্যন্ত ড্যানিয়েলের সঙ্গে ডেটে যান। কিন্তু বুঝতে পারছিলেন না, এটা ঠিক হচ্ছে, না ভুল করছেন।
ড্যানিয়েল ও সানি প্রথম ডেটে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা একে অপরের সঙ্গে ছিলেন। সানিরও বেশ ভালো লেগে যায় ড্যানিয়েলকে। এরপর ড্যানিয়েলকে সানি বড় একটা ফুলের স্তবক পাঠান এবং আগামী দুই মাসের জন্য দেখা করতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে একটি চিরকুটও পাঠান।
এরপর দু’জনের দেখাসাক্ষাৎ চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২০১১’তে চারহাত এক হয়। সানি বেশ কয়েকবারই বলেছেন যে, সানি স্বামী হিসেবে দারুণ।
বিয়ের পর সানি ও ড্যানিয়েলে প্রোডাকশন হাউস তৈরি করেছিলেন। দু’জনকে অ্যাডাল্ট ফিল্মেও দেখা গিয়েছে। এরপর সানি বলিউডে আসার সিদ্ধান্ত নিলে ড্যানিয়েল তাকে সমর্থন করেন। শ্যুটিং বা সাক্ষাৎকার, ড্যানিয়েলকে বরাবরই সানির পাশে দেখা গিয়েছে।
ড্যানিয়েল সানির পূর্ণ সময়ের ম্যানেজারও। স্বামীর পরামর্শ না নিয়ে সানি কোনও সিনেমা করতেই রাজি হন না।