|
বন্ধুত্বের ফাঁদে ফেলে ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ!
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ছবি: প্রতারক ইয়াসিন মামলার বিবরণে জানা যায় প্রতারক ইয়াছিনের সাথে মনির হোসেনের সম্পর্ক ছিল দীর্ঘদিনের এছাড়া তাদের পিতাদের মধ্যেও ছিল বন্ধুত্বের বন্ধন। এরই সূত্র ধরে ২০২৩ সালের প্রথমদিকে ইয়াসিনের এক আত্মীয় বাসায় থাই গ্লাস লাগানোর কথা বলে ৬০ হাজার টাকা ধার নেয়। এলাকার বাতাইছড়ি বাজারে ইয়াসিনের থাই এন্ড গ্লাসের একটি দোকান থাকায় পুঁজি দিতে না পারায় মনিরকে পার্টনার হওয়ার প্রস্তাব দেয় প্রস্তাবে মনির রাজি হয়ে একটি চুক্তি নামা করে এরপরে দোকানে মালামাল ক্রয় করার কথা বলে ধাপে ধাপে মনিরের কাছ থেকে প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন।এরপর পুনরায় প্রতারক ইয়াসিন আরএফএল কোম্পানির ফোর সিলিং ডিলার নেয়ার কথা বলে ৩০ হাজার টাকা,গাড়ি ক্রয় কথা বলে ২০ হাজার টাকা, নতুন দোকান ভাড়া নেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার টাকা, প্লাস ডিলারের কথা বলে ৫০ হাজার টাকা, এছাড়াও মনিরের মা-বোনের কাছ থেকে বিভিন্ন উপায়ে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকাসহ মোট ৪৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। ![]() ছবি: ভুক্তভোগী মনির হোসেন এরপর গত মনির বাদী হয়ে আাদলতে ২০২৩ সালে ৩ নভেমবর একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। যার ধারা ৪০৬/ ৪২০/১০৯/৪৫৭/৩৮০। আদালত পুলিশ বুড়ো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলার তদন্তভার দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২৪শে এপ্রিল ২০২৪ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর (পিবিআই) কুমিল্লা আসামি ইয়াসিন, আখতার হোসেন, নাঈম, সোহেল ও ফরহাদ হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তাতে আসামিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি তাদের ভয়ে এলাকা ছাড়া। মনির এই প্রতিবেদক কে জানান টাকা ফেরত চাওয়ায় প্রথমে তারা তার দোকানের মালামাল লুটপাট করে। পরে তাকে প্রাণ নাসের হুমকি দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু সমাধান সহ টাকা ফেরত পাওয়ার বিনীত আবেদন জানান।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
