ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ২ ভাদ্র ১৪৩৩
মাদক বিক্রির অভিযোগে দারাজের বিরুদ্ধে নারকোটিক্সের মামলা
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 17 August, 2026, 5:51 PM

মাদক বিক্রির অভিযোগে দারাজের বিরুদ্ধে নারকোটিক্সের মামলা

মাদক বিক্রির অভিযোগে দারাজের বিরুদ্ধে নারকোটিক্সের মামলা

অনলাইনে মাদক বিক্রির অভিযোগে বহুল আলোচিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)। সংশোধিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাইবার স্পেসে মাদক কেনাবেচাকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পর এটিকে প্রথম মামলা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলায় দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে অভিযান চালিয়ে দারাজের পণ্য সরবরাহকারী আনিসুর রহমানকে গ্রেফতার করে নারকোটিক্স।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, দারাজের ওয়েবসাইটে ‘সিবিডি ওয়েল’ নামের একটি পণ্য বিক্রির তথ্য পেয়ে বিষয়টি নজরদারিতে আনে নারকোটিক্সের গোয়েন্দা শাখা। পরে সংস্থাটির সদস্যরা কয়েকটি পণ্য অর্ডার করেন। দারাজের ডেলিভারি কর্মীর মাধ্যমে পণ্য হাতে পাওয়ার পর নমুনা রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়।

পরীক্ষায় ওই ‘সিবিডি ওয়েল’-এ উচ্চমাত্রায় গাঁজার তরল উপাদান টিএইচসি (টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল) পাওয়ার দাবি করেছে নারকোটিক্স। এরপরই পণ্যটির উৎস অনুসন্ধানে অভিযান চালানো হয়।

নারকোটিক্সের ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা অঞ্চলের উপপরিচালক মেহেদী হাসান জানান, বাড্ডার সাঁতারকুল এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সিবিডি ওয়েল ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখান থেকেই আনিসুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানসংশ্লিষ্টদের দাবি, আনিসুর দীর্ঘদিন জাপানে অবস্থান করেছিলেন। সেখানে গাঁজার তরল উপাদান ব্যবহার করে তেল তৈরির কৌশল শেখেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। পরে দেশে ফিরে সুগন্ধি সাবান তৈরির আড়ালে এই কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

সংশোধিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬-এর ‘ক’ ধারায় সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্ট্যান্সের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, প্রচার বা লেনদেনকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড ও সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

নারকোটিক্সের মহাপরিচালক হাসান মারুফ বলেছেন, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। দারাজের পাশাপাশি সন্দেহজনক অন্যান্য প্ল্যাটফর্মও নজরদারির আওতায় রয়েছে।

ফলে প্রশ্ন উঠেছে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিষিদ্ধ বা মাদকজাত পণ্য কীভাবে তালিকাভুক্ত ও বিক্রির সুযোগ পেল? সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে তদন্ত কতদূর যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status