|
কৃষক দলের পদধারী নেতা হয়ে মহানগর মহিলা কলেজে একক আধিপত্য বিস্তার সহযোগী অধ্যাপক সেলিমের বিরুদ্ধে
* টাকা আত্মসাৎ সহ চার অভিযোগ * অপসারণের জন্য শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() কৃষক দলের পদধারী নেতা হয়ে মহানগর মহিলা কলেজে একক আধিপত্য বিস্তার সহযোগী অধ্যাপক সেলিমের বিরুদ্ধে এ সবের বিরুদ্ধে ওই কলেজের শিক্ষার্থীরা তার অপসারণের জন্য মানববন্ধনসহ বিক্ষোভ মিছিল ও করে। এসব বিষয় নিয়ে কলেজ কতৃপক্ষ তাকে কয়েকদফা কারণ দর্শানোর নোটিশও করে। কিন্তু তিনি তার কোন সুষ্ঠ জবাব না দিয়ে থেকে যান বহাল তাবিয়তে। জানা যায়,রাজনৈতিক ফয়দা নিতে তিনি যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, তিনি রাতারাতি ভোল পাল্টে সে সরকার দলের অনুসারী হয়ে যায়। এ নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বর্তমানে তিনি আবার জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। তিনি নেতা হওয়ার কারণে একছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে কলেজটিতে। জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগের ১৭ বছর সে যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি আফসানা হাসানের সাথে মিলে কলেজে ব্যাপক লুটপাট করে। বেআইনিভাবে ১৭ বছর ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধানের পদ দখল করে রাখেন। যার ফলে ২০২৪ সালের ৫ ই আগস্টের পরে ছাত্রীরা আফসান হাসান এবং সেলিম হোসেনসহ ১০ সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে বহিষ্কার চেয়ে কলেজে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও মানব বন্ধন করে। সেলিম হোসেন মেয়র হানিফ সাহেবের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে কলেজের নিয়োগ পেলেও পরবর্তীতে সাদেক হোসেন খোকা যখন সভাপতি হয় তখন সে রং পাল্টিয়ে একজন কমিশনারকে সাথে নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, প্রমোশন বাণিজ্য সহ কলেজ লুটপাট করে। ![]() কৃষক দলের পদধারী নেতা হয়ে মহানগর মহিলা কলেজে একক আধিপত্য বিস্তার সহযোগী অধ্যাপক সেলিমের বিরুদ্ধে তাতে জনাব সেলিম হোসেন ,সহকারী অধ্যাপক, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ, ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ উল্লেখ করে জানান ,ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের শিক্ষকবৃন্দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আপনার বিরুদ্ধে আনিত নিম্নোক্ত অভিযোগসমূহ, ১। ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের মডেল টেস্ট ও কোচিং ফি বাবদ আদায়কৃত শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে বণ্টন যোগ্য প্রায় ৯ লাখ টাকা যা আপনি জনাব সেলিম হোসেন এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব সুমগ্না রশিদের নিকট গচ্ছিত রয়েছে তা কেন এখনও বণ্টন করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, এই গচ্ছিত টাকা তারা বন্টণ না করে আত্মসাত করে । ২। এরপর মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জনাব রাজিয়া সুলতানা এর প্রভাষক পদে নিয়োগ লাভের আবেদন পত্রটি তার নিজ হস্তে লিখে স্বাক্ষর প্রদান করা কথা থাকলেও তা আপনার হস্তে লিখিত এবং স্বাক্ষরিত যা বিধি সম্মত নয়। এখানে তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে স্বাক্ষর করেন যা বিধি বহিঃভুত। ৩। সমাজকর্ম বিভাগের সাবেক প্রভাষক জনাব মনিরুল হক খাঁন ২০০৩ সাল পর্যন্ত কর্মরত থেকে উক্ত পদ হতে পদত্যাগ করেন। কিন্তু তাকে সেপ্টেম্বর ২০০৪ সাল পর্যন্ত বেতন-ভাতাদি প্রদান করে আপনি, জনাব সেলিম হোসেন, সহকারী অধ্যাপক ফিন্যান্স বিভাগ, জনাব মোঃ সেলিম রেজা, সহকারী অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ ও অধ্যক্ষ জনাব মোঃ আব্দুর রহমান বেতন বিবরণীতে স্বাক্ষর করে বেতন প্রদান করেছেন। যা বিধি বর্হিভূত। ৪। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত কলেজ গভর্নিং বডিতে উল্লেখ আছে শিক্ষক প্রতিনিধি শিক্ষকদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন। কিন্তু আপনি ২০০২ সাল থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ও নিয়ম বর্হিভুতভাবে মার্চ ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫। কলেজের নিয়ম-নীতি বঙ্গ করে কোন অনুমতি ছাড়াই অফিস সময়ে অত্র কলেজে ছাত্রীদেরকে নিয়ে কলেজের বিভিন্ন কক্ষে কোচিং ক্লাস পরিচালনা করছেন। এমতাবস্থায়, উল্লিখিত অপরাধ এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেনা আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য অনুরোধসহ নির্দেশ দেয়া হলো। এ ব্যাপারে সেলিম হোসেনরে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে। একাধিকবার ফোন দেওয়া সত্ত্বেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে এবং লিখিত কিছু প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হলে তার ও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ এস এম শামীমুল হক জানান, আপনি এ ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনি যে অভিযোগ গুলির কথা বলছেন এগুলি আমি খতিয়ে দেখব।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
‘অশ্লীল কন্টেন্ট’ নিয়ে জাহ্নবীর মামলা প্রসঙ্গে হাইকোর্টের বার্তা
ময়মনসিংহে পাসপোর্ট অফিসের সামনে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
বাঘাইছড়িতে তিন শতাধিক অসহায় মানুষকে বিজিবি'র বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান
আলফাডাঙ্গায় পানাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি'র নির্বাচন স্থগিত ও কারণ দর্শানোর নোটিশ
