ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২০ জুলাই ২০২৬ ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
সাপের কামড় খেয়ে হাসপাতালে বিষঝাড়া ওঝা, অতঃপর...
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Sunday, 19 July, 2026, 1:54 PM

সাপের কামড় খেয়ে হাসপাতালে বিষঝাড়া ওঝা, অতঃপরins class=

সাপের কামড় খেয়ে হাসপাতালে বিষঝাড়া ওঝা, অতঃপর

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি বসতবাড়ি থেকে গোখরা সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে নিজেই সাপের ছোবলের শিকার হয়েছেন ইমরান হোসেন (৩৮) নামে এক ব্যক্তি। নিজেকে ‘সাপুড়ে’ ও ‘বিষঝাড়া ওঝা’ পরিচয় দেওয়া এই ব্যক্তি বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।

ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার গোলাপনগর ইউনিয়নের বাগগাড়ি পাড়া এলাকায় আমিরুল ইসলামের বাড়িতে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এর একদিন আগে একই বাড়িতে সাপের কামড়ে আমিরুল ইসলামের একমাত্র ছেলে সম্রাটের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর শুক্রবার আবারও বাড়িতে সাপ দেখা দিলে আতঙ্কিত পরিবারের সদস্যরা ইমরান হোসেনকে খবর দেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইমরান জানান, খবর পেয়ে তিনি বাড়ির উঠান খুঁড়ে প্রথমে তিনটি সাপের বাচ্চা উদ্ধার করেন। পরে গর্ত থেকে একটি বড় গোখরা সাপ বের করে ধরেন। তবে সাপটি ধরার প্রায় দেড় মিনিট পর অসাবধানতাবশত সেটি তার হাঁটুর ওপরে ছোবল দেয়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইমরান হোসেনের একটি ভিজিটিং কার্ড ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তিনি নিজেকে ‘সাপুড়িয়া’ পরিচয় দিয়ে সাপ ধরা, সাপের বিষ ঝাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসার দাবিও করেছেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সাপ ধরার ভিডিও প্রকাশ করতেন বলেও জানা গেছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইকবাল হাসান জানান, হাসপাতালে আনার পর ইমরানকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত। ইতোমধ্যে তাকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাই সাপের কামড়ের পর ওঝা বা কবিরাজের কাছে গিয়ে সময় নষ্ট না করে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদক্ষেপ।



পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status