ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ৩ জুন ২০২৬ ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটি ধ্বংস, জনমনে স্বস্তি
শফিক ইসলাম, মহালছড়ি
প্রকাশ: Wednesday, 3 June, 2026, 11:02 AM

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটি ধ্বংস, জনমনে স্বস্তি

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটি ধ্বংস, জনমনে স্বস্তি

খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর একটি অস্থায়ী ঘাঁটি শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে মহালছড়ি উপজেলার পঙ্খীমুড়া এলাকায় পরিচালিত সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২ জুন) মাইসছড়ি কমলাবাগান এলাকায় আরও একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (মূল)-এর সরঞ্জাম মজুদের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান খুঁজে পাওয়া না গেলেও, তাদের ব্যবহৃত একটি অস্থায়ী আস্তানা বা ঘাঁটির সন্ধান পায় সেনাবাহিনী।

পরে অভিযানকারী দল ঘাঁটি এবং এর আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালায়। এ সময় অস্ত্র সংরক্ষণের বাঙ্কার, ডিউটি পোস্ট, বিশ্রামাগার, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনা শনাক্ত করা হয়। অভিযান শেষে ঘাঁটির অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে এলাকাটিতে নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই দুর্গম এলাকায় ইউপিডিএফ (মূল)-এর কিছু সদস্য অস্ত্রসহ অবস্থান করত এবং বিভিন্ন সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা অনেকটাই কমে গেছে। এখন মানুষ আগের তুলনায় নিরাপদ বোধ করছে।”

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে সেনাবাহিনীর অভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে কমলাবাগান ও আশপাশের এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status