|
গোমস্তাপুর তীব্র গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিতে হাজারো মানুষ, বাড়ছে লোডশেডিং নিয়ে শঙ্কা
কাবিরুল ইসলাম, গোমস্তাপুর
|
![]() গোমস্তাপুর তীব্র গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিতে হাজারো মানুষ, বাড়ছে লোডশেডিং নিয়ে শঙ্কা গত কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় রাস্তাঘাট, বাজার, অফিস-আদালতসহ সর্বত্র জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে দিনে-রাতে দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরে-বাইরে গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। জেলার বিভিন্ন উপজেলা—সদর, শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাটে দিন-রাত মিলিয়ে কয়েক দফা লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কোথাও কোথাও ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। রিকশাচালক, দিনমজুর, কৃষকসহ বাইরে কাজ করা শ্রমজীবীরা বলছেন, প্রচণ্ড রোদে কাজ করতে গিয়ে মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত ঘাম ও দুর্বলতাসহ হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে অনেকের মধ্যে। স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসচেতন মহল বলছে, অতিরিক্ত গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়েছে কয়েকগুণ। পর্যাপ্ত পানি পান, ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দুপুরে বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরে ফ্যান চলছে না, অনেক জায়গায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের। শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। সচেতন মহল মনে করছে, তীব্র তাপপ্রবাহের এই সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে। দ্রুত লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এনে জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয়দের ভাষায়, “গরমে বাঁচি না, বিদ্যুৎ না থাকলে যেন মৃত্যু যন্ত্রণা।”গোমস্তাপুর বাসীর এখন একটাই দাবি—তীব্র গরমে লোডশেডিং থেকে মুক্তি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
