|
গলাচিপায় ৮০ বছরের পুরনো চার’টি মন্দির জরাজীর্ণ, পূজা থেকে বঞ্চিত প্রায় দেড় শত পরিবার -সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর
তুষার হাওলাদার,কলাপাড়া
|
![]() গলাচিপায় ৮০ বছরের পুরনো চার’টি মন্দির জরাজীর্ণ, পূজা থেকে বঞ্চিত প্রায় দেড় শত পরিবার -সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বহু বছর আগে ভক্ত পরিবার ও এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে এসব মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। একসময় এসব মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা, কীর্তন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হতো। বিশেষ করে কালী পূজা, শীতলা পূজা ও মনসা পূজাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরগুলোর অবকাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে, বর্ষার দিনে মন্দিরের মধ্যে বৃষ্টির পানি পরে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে সেখানে নিয়মিত পূজা-অর্চনা করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়রা বলেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে নিজেদের উদ্যোগে মন্দিরগুলো সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে প্রায় ১৫০টি সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবার নিয়মিত ধর্মীয় পূজা অর্চনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মন্দির কমিটির সভাপতি সুখরঞ্জন ভক্ত বলেন, পূর্ব পুরুষদের সময় থেকে এসব মন্দিরে পূজা হয়ে আসছে। কিন্তু এখন সংস্কারের অভাবে মন্দিরগুলো ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সুমন ভক্ত জানান, সরকারি সহায়তা পেলে মন্দিরগুলো সংস্কার করে আবারও আগের মতো নিয়মিত পূজা-অর্চনা করা সম্ভব হবে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রেফাবুল ইসলাম সরদার বলেন, পাতাবুনিয়া হিন্দু পাড়ার মন্দিরটি অনেক পুরনো সরকারি কোন বরাদ্দ না পাওয়ায় মন্দিরটি জড়াজীর্ণ অবস্থায় পরে আড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারে কাছে দাবি সরকারি বরাদ্দ দিয়ে মন্দিরটি সংস্কার করার জোর দাবি জানাচ্ছি। এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ ও সরকারি অনুদান পেলে মন্দিরগুলো সংস্কার করে এলাকার ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
