|
গাজীপুরে গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যা: গ্রেপ্তার আসামির আদালতে স্বীকারোক্তি
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গাজীপুরে গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় মাদ্রাসাছাত্রকে হত্যা: গ্রেপ্তার আসামির আদালতে স্বীকারোক্তি নিহত মাদ্রাসাছাত্রের নাম মাহাবুল হোসেন রনি (১৪)। তিনি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের সোহাস মিয়ার ছেলে। রনি গাজীপুরের ভবানীপুর এলাকার খুরশীদিয়া মারকাযুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার নাজেরা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজ পড়তে বের হওয়ার পর বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয় রনি। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে স্থানীয়রা ভবানীপুর এলাকার একটি জঙ্গলের ভেতর আগুনে পোড়া অবস্থায় এক কিশোরের মরদেহ দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি রনির বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের দাদা তারা মিয়া জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে তদন্তভার নেয় পিবিআই গাজীপুর জেলা। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় গত ৫ মার্চ রাতে জয়দেবপুরের ভবানীপুর এলাকা থেকে ছাব্বির আহম্মেদ (১৯)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তুলন্দর গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে এবং ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছাব্বির স্বীকার করেছেন যে ঘটনার রাতে তিনি জঙ্গলের ভেতরে গাঁজা সেবন করছিলেন। এ সময় মাদ্রাসাছাত্র রনি সেখানে এসে তাকে দেখে ফেলে এবং বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাব্বির তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে পেছন দিক থেকে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনা গোপন করতে মরদেহে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান, তথ্যপ্রযুক্তি, স্থানীয় সোর্স এবং পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
