|
দলীয় প্রধানদের ভাষণ প্রচারের উদ্যোগ নিচ্ছে ইসি, বিটিভিকে চিঠি
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() দলীয় প্রধানদের ভাষণ প্রচারের উদ্যোগ নিচ্ছে ইসি, বিটিভিকে চিঠি এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। এসব নিবন্ধিত দলের মধ্যে কতটি দলের প্রধান কখন এবং কোন দিনে ভাষণ রেকর্ড করে প্রচার করবেন সে বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার শেষ পর্যায়ে এসে প্রধান কয়েকটি দলের প্রধানদের ভাষণ প্রচার করা হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের আগেও দলীয় প্রধানদের ভাষণ সম্প্রচার করা হয়। সে সময় এ সংক্রান্ত নীতিমালাও চেয়েছিল তৎকালীন বিটিভি কর্তৃপক্ষ। তবে একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এই রীতি অনুসরণ করা হয়নি। এবার আবারও সেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারের শেষ সময় ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা। সে হিসেবে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভাষণ সম্প্রচারের কাজ শেষ করতে চায় বিটিভি কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে সোমবার জানতে চাইলে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, দলীয় প্রধানদের ভাষণ সম্প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে। কমিশনের অনুমোদন পেলে বিটিভি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। কীভাবে সমন্বয় করা হবে এবং দলগুলোর আবেদনের বিষয়টি বিটিভি নির্ধারণ করবে। মঙ্গলবার এ প্রসঙ্গে বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, দলীয় প্রধানদের ভাষণ সম্প্রচারের সব সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে। এখনো চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। চিঠি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, নীতিমালা নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করে দেবে। ভোটে অংশ নেওয়া দলগুলো আবেদন করুক বা না করুক, ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। অর্ধশত দল নির্বাচনে অংশ নিলেও প্রধান কয়েকটি দল বিশেষ করে যাদের প্রার্থী সংখ্যা বেশি তাদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তা না হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভাষণ সম্প্রচার কঠিন হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রচারণার শেষ দিনে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া জাতির উদ্দেশে পৃথক ভাষণ দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার বিএনপির সর্বোচ্চ ২৯২ জন প্রার্থী ভোটে রয়েছেন। এরপর রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (২৫৩), জামায়াতে ইসলামী (২২৪), জাতীয় পার্টি (১৯২), গণঅধিকার পরিষদ (৯০) এবং এনসিপি (৩২)।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
