ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১৭ মে ২০২৬ ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের অস্থির দামে দিশেহারা সাধারন ক্রেতা
এস এম সাখাওয়াত জামিল দোলন
প্রকাশ: Sunday, 9 November, 2025, 2:32 PM

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের অস্থির দামে দিশেহারা সাধারন ক্রেতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের অস্থির দামে দিশেহারা সাধারন ক্রেতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। এদিকে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে পেঁয়াজের দর বৃদ্ধির এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। তবে নভেম্বরের পরে পেঁয়াজের এই বর্ধিত দাম কমে আসতে পারে বলে জানান জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহের তীব্র ঘাটতিকে দায়ী করে বলেন, পেঁয়াজের উৎপাদন বেশি হয় বাংলাদেশের পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহীর বানেশ্বর ও তাহেরপুর এলাকায়। ওইসব অঞ্চলের মূল মোকামগুলোতে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের প্রতি মণের দাম এখন ৩ হাজার ৭ শত টাকা থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে ওঠা-নামা করছে। 

আর তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিজস্ব পেঁয়াজের মজুত প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন বাইরের পেঁয়াজের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করতে হচ্ছে। আর যেহেতু পেঁয়াজ তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে সেহেতু স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যোগ করে উচ্চমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ক্রেতারা বলছেন, বাজারে এসে হতবাক হয়েছি পেঁয়াজের দাম শুনে। রাতারাতি ৭০ টাকা কেজির পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি হয়ে গেছে। এত দাম দিয়ে পেঁয়াজ কিনতে হবে ভাবতেই পারছি না। অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি এখন নিত্য প্রয়োজনীয় পেঁয়াজের দামও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

এদিকে নভেম্বর মাস জুড়ে দাম কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের এক্সপার্ট কিউরার মোহা. শহীদুল ইসলাম জানান, মজুদকারী ও পাইকারদের মধ্যে যাদের কাছে অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে তারাও সরবরাহ ঘাটতির সুযোগ নিয়ে দাম আরো বাড়িয়ে দিচ্ছেন। আর তাই নভেম্বর মাস জুড়ে পেঁয়াজের এই উচ্চমূল্য বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দাম স্থিতিশীল করতে হলে দ্রæত আমদানির মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ বাড়াতে হবে।

এ বিষয়ে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ বলেন, এক মাস ২৬ দিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। সবশেষ এই স্থলবন্দর দিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখ ২৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। এরপর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। 


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status