একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৫০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৪৯ জন। যাচাই-বাছাই শেষে সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম এ ঘোষণা দেন।
এ দিন সকাল পৌনে ১০টার দিকে শুরু হয়ে বেলা প্রায় ১১টা পর্যন্ত চলে এই যাচাই-বাছাই। এ সময় প্রার্থী, সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ইসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীদের স্বাক্ষর না দেয়াসহ ‘ছোটখাট’ ভুল-ত্রুটি আমলে নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৫৮টি আসন, জাতীয় পার্টি ২২টি আসন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২টি আসন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি আসন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ২টি আসন, জাতীয় পার্টি-জেপি ১টি আসন ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ১টি আসন পেয়েছে। মহাজোট মোট আসন পেয়েছে ২৮৯টি।
অন্যদিকে বিএনপি ৬টি ও গণফোরাম ২টি আসন পেয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মোট ৮টি আসন পেয়েছে। আর স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৩ প্রার্থী।
দল ও জোটের সংসদ সদস্য সংখ্যার অনুপাতে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা আইনে বণ্টনের বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ৪৩টি আসন, ওয়াকার্স পার্টি ১টি, জাতীয় পার্টি ৪টি ও স্বতন্ত্র তিন প্রার্থী জোট ১টি এবং বিএনপি জোট ১টি আসন পেয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টি মনোনীত অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার, ওয়ার্কার্স পাটির মনোনীত প্রার্থী লুৎফুন নেসা খান ও স্বতন্ত্র সেলিনা ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
আর বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা ১টি আসন পেলেও শপথ না নেওয়ায় আপাতত সে পদটি খালি থাকছে।
একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন-২০১৯ এর জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল ১১ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি। আগামী ৪ মার্চ নির্বাচন ভবনে ভোটগ্রহণ হবে।