|
২৭তম ব্যাচ আনসার ব্যাটালিয়ন সিপাহি নিয়োগ কার্যক্রম সমাপ্ত
ফাহিম ফরহাদ, গাজীপুর
|
![]() ২৭তম ব্যাচ আনসার ব্যাটালিয়ন সিপাহি নিয়োগ কার্যক্রম সমাপ্ত শেষ দিনে কালিয়াকৈরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও কুষ্টিয়া জেলার প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সিপাহি পদের এ নিয়োগে প্রার্থীদের মেধা, যোগ্যতা, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রবেশপত্র যাচাই ও উচ্চতা মাপার মাধ্যমে। ন্যূনতম উচ্চতা পূরণে ব্যর্থ কিংবা মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীদের প্রাথমিক পর্যায়েই বাদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রার্থীরা মেডিকেল টিমের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নেন। এরপর ধাপে ধাপে ৮০০ মিটার দৌড়, পুশ আপ, লং জাম্প, হাই জাম্প এবং টায়ার ড্রাগিং টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে অগ্রগতি ঘটে। শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় প্রাথমিক মেডিক্যাল টেস্ট ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই। এর পর ধাপে ধাপে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে প্রস্তুত হয় চূড়ান্ত মেধা তালিকা। নির্বাচিত প্রার্থীরা চূড়ান্ত মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর ৬ মাসব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। মাত্র ২০০ টাকা ব্যয়ে মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়ে প্রার্থীরা খুশি। অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, কোনো ঘুষ ছাড়াই সরকারি চাকরি পাওয়া তরুণদের ন্যায্য অধিকার ও বড় সুযোগ। অনেক প্রার্থীর বাবা দিনমজুর, ভ্যানচালক, সবজি বিক্রেতা কিংবা কেউ পিতৃহীন, মা গার্মেন্টসকর্মী—তবুও তারা নিজেদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন। আনসার বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক (প্রশাসন) কর্ণেল মোঃ ফয়সাল আহাম্মদ ভুঁইয়া বলেন, “এবারের নিয়োগ কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে প্রতিটি ধাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।” এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুই হাজারেরও বেশি সিপাহি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
