|
ভূরুঙ্গামারীতে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা, জব্দ করে পুঁতে দিল প্রশাসন
এফ কে আশিক, ভূরুঙ্গামারী
|
![]() ভূরুঙ্গামারীতে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা, জব্দ করে পুঁতে দিল প্রশাসন এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু অসাধু মাংস ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও দুর্বল গরু কম দামে কিনে এনে জবাই করে বাজারে বিক্রি করছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা যেমন প্রতারিত হচ্ছেন, তেমনি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিক ও ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নুর মোহাম্মদ। তারা জবাইকৃত পশুর মাংসে লাম্পি স্কিন ডিজিজের চিহ্ন দেখতে পান। পরে সঙ্গে সঙ্গেই কসাই শাহিনুরকে সতর্ক করে ঘটনাস্থলেই সমুদয় মাংস মাটিচাপা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা হোসনেআরা বেগম বলেন, “অসুস্থ পশুর শরীরে যদি কোনো এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা থাকে এবং মানুষ সে মাংস খায়, তবে শরীরে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স তৈরি হবে। ফলে ভবিষ্যতে ঐ ব্যক্তি অসুস্থ হলে ওই এন্টিবায়োটিক আর কার্যকর হবে না।” তিনি আরও বলেন, অসুস্থ পশু জবাই ও মাংস বিক্রি শুধু আইনগত অপরাধ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও ভয়াবহ হুমকি। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সেজন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কসাইখানায় পশু জবাইয়ের সময় প্রাণীসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীব জন মিত্র কুড়িগ্রামে মিটিংয়ে থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে কসাইখানায় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
