ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
কুড়িগ্রাম পরিবেশ বীক্ষণ ও হিজিবিজির যৌথ প্রতিবাদে প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ডুমুর গাছের রক্ষা
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: Wednesday, 6 August, 2025, 12:30 AM
সর্বশেষ আপডেট: Wednesday, 6 August, 2025, 12:35 AM

কুড়িগ্রাম পরিবেশ বীক্ষণ ও হিজিবিজির যৌথ প্রতিবাদে প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ডুমুর গাছের রক্ষা

কুড়িগ্রাম পরিবেশ বীক্ষণ ও হিজিবিজির যৌথ প্রতিবাদে প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ডুমুর গাছের রক্ষা

কুড়িগ্রাম পরিবেশ বীক্ষণ ও হিজিবিজির যৌথ প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ডুমুর গাছ কর্তনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

আজ ৫ আগষ্ট মঙ্গলবার পরিবেশ বীক্ষণ ও হিজিবিজির যৌথ প্রতিবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণের বহু পুরনো গাছ কেটে ফেলার নিলাম প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে পরিবেশবাদী সংগঠন হিজিবিজি ও পরিবেশ বীক্ষণ-এর তীব্র প্রতিবাদ এবং লিখিত আপত্তির মুখে অবশেষে কলেজ কর্তৃপক্ষ ডুমুর গাছ কাটার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। কলেজ অধ্যক্ষ এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “ডুমুর গাছ কর্তনের পরিকল্পনা বাতিল করা হলো; শুধু সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী অন্যান্য গাছ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলেজ প্রশাসন একাধিক গাছ কর্তনের জন্য নিলামের বিজ্ঞপ্তি দেয়। এতে কলেজ চত্বরে অবস্থিত একটি বহু বছরের ডুমুর গাছ, যেটি কুড়িগ্রাম জেলার একমাত্র ডুমুর গাছ বলে চিহ্নিত, সেটিও নিলামের তালিকায় উঠে আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে হিজিবিজি ও পরিবেশ বীক্ষণ যৌথভাবে প্রতিবাদ জানায় এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের বরাবর একটি লিখিত আবেদনপত্র দাখিল করে।

আবেদনে বলা হয়, "বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ প্রয়োজনীয় মানদণ্ডের তুলনায় ভয়াবহভাবে কম। সেই পরিস্থিতিতে কলেজ প্রাঙ্গণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গাছ কাটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে ডুমুর গাছটি বিলুপ্তপ্রায় এবং পরিবেশগত ঐতিহ্যের অংশ।"

প্রতিবাদ সংগঠনের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই গাছ শুধুমাত্র প্রাকৃতিক ভারসাম্যের অংশ নয়, বরং কুড়িগ্রামের পরিবেশ ইতিহাসের প্রতীক। তাই গাছটিকে ‘প্রাকৃতিক ঐতিহ্য বৃক্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবিও তারা উত্থাপন করেছেন।

হিজিবিজির সম্পাদক রাজ্য জ্যোতি ও পরিবেশ বীক্ষনের আহ্বায়ক সান্নিধ্য বর্মা স্বরুপ বলেন,“এটি আমাদের আংশিক বিজয়। প্রশাসন বুঝতে বাধ্য হয়েছে যে জনগণ এখন সচেতন এবং গাছ হত্যার কোনো সিদ্ধান্ত সহজে মেনে নেয় না।”
তবে পরিবেশকর্মীরা এখানেই থেমে থাকতে রাজি নন। তারা জানিয়েছেন, সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী যেসব গাছ কাটা হবে, তা যেন কোনোভাবেই পরিবেশের ক্ষতি না করে—সে বিষয়েও তারা নজর রাখবেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কলেজ প্রাঙ্গণে গাছ রোপণ কর্মসূচি এবং পরিবেশ সচেতনতা কার্যক্রম চালুর প্রস্তাব দেওয়া হবে বলে জানান সংগঠনের নেতারা।

এদিকে স্থানীয়ভাবে এই প্রতিবাদ ও সাড়া পাওয়া সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীও।

গাছ বাঁচানো মানে ভবিষ্যৎ বাঁচানো — এই বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে কুড়িগ্রামের প্রতিটি প্রান্তে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status