ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২ মে ২০২৬ ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
রাস্তার বেহাল দশা, শিলংদহ গ্রামে ভেঙে যায় বিয়ে
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
প্রকাশ: Thursday, 31 July, 2025, 11:37 AM

রাস্তার বেহাল দশা, শিলংদহ গ্রামে ভেঙে যায় বিয়ে

রাস্তার বেহাল দশা, শিলংদহ গ্রামে ভেঙে যায় বিয়ে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের শিলংদহ থেকে গুরমা পর্যন্ত  প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচামাটির রাস্তা। সামান্য বৃষ্টি হলেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা-পানি সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ও মাটি মিশে কাদায় একাকার হয়ে যায় পুরো রাস্তা।

এতে বিপাকে পড়েন ওই এলাকার শত শত মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে কাঁচারাস্তাটিতে ইটের ছোঁয়া না লাগায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। আর এ কারণে শিলংদহ গ্রামের ছেলেমেয়েদের বারবার বিয়ে ভেঙে যায়।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার দেশীগ্রাম   ইউনিয়নের শিলংদহ গ্রাম থেকে গুরমা গ্রামের বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিকল্প কোনো পথের ব্যবস্থা না থাকায় হাঁটু সমান কাদা মাড়িয়েই চলাচল করতে হয় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, বৃদ্ধসহ সবার।

সারা বছরের প্রায় ৫-৬ মাস ভোগান্তির শিকার হতে হয় গ্রামবাসীর। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হয় তাদের। এই এলাকার মানুষের আতঙ্ক ও ভয়ের আরেক নাম বৃষ্টি। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জমে হাঁটু সমান কাদা।

কাদার জন্য গ্রামের এ রাস্তায় কোনো ভ্যান-রিকশা ঢোকে না। মোটরসাইকেল, সাইকেলে তো দূরে থাক, খালি পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দায়। বৃষ্টির দিনে গ্রামের কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্সও এখানে ঢুকতে পারে না। অনেক সময় কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে কাঁধে করে কর্দমাক্ত রাস্তা পার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো.আব্দুল মালেক , ইয়াসিন আলীসহ একাধিক নারী-পুরুষ আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের দুঃখ-কষ্ট, দুর্ভোগের কথা কেউ শুনে না। আমাদের ভোগান্তির কথা বলে বোঝানো যাবে না, নিজ চোখে দেখতে হবে। আমরা ঠিকমতো হাটবাজারে যেতে পারি না। পর্যাপ্ত উৎপাদিত কৃষিপণ্য সময়মতো বিক্রি করতে পারি না। আমাদের ছেলেমেয়েরা কষ্ট করে স্কুল-কলেজে যায়। শুধুমাত্র রাস্তার এমন বেহাল অবস্থার জন্য গ্রামের ছেলে-মেয়েদের বিয়ে ভেঙে যায় বারবার। জনপ্রতিনিধিদের কাছে ধর্না দিয়েও কোনো ফল হয়নি।

দেশীগ্রাম  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জ্ঞানেন্দ্র নাথ বসাক বলেন, এই রাস্তাটির জন্য এলাকাবাসী খুবই দুর্বিষহ জীবনযাপন করেন। এই রাস্তা  করার জন্য আমি দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি; আমার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি সুনজরে নিয়ে অতিসত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক  বলেন, এই রাস্তার আগামী বরাদ্দ এলে আমরা অবশ্যই রাস্তাটি পাকা করার চেষ্টা করব।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status