ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ৪ মে ২০২৬ ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়া যেন স্বপ্ন, ভর্তি হয়েও আর্থিক চিন্তায় ছাইনুমে মারমা
মোঃ জুবাইরুল ইসলাম, লামা
প্রকাশ: Tuesday, 29 July, 2025, 6:34 PM

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়া যেন স্বপ্ন, ভর্তি হয়েও আর্থিক চিন্তায়  ছাইনুমে মারমা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে পড়া যেন স্বপ্ন, ভর্তি হয়েও আর্থিক চিন্তায় ছাইনুমে মারমা

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়ন এর এক শিক্ষার্থী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে চান্স পেয়েও অর্থের কারণে অনিশ্চিত হয়ে আছে তার পড়াশোনা। ছাইনুমে মারমা বান্দরবানের লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ী এলাকা ফাইতং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভাজা পাড়া এলাকার থোয়াহ্লাখই মারমার মেয়ে।

চান্স পাওয়া ছাইনুমে জানান,আমি ছোট থেকে স্বপ্ন দেখতাম ডাক্তার হওয়ার।মা-বাবার অর্থের অভাবে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হয়নি মাধ্যমিকে।ভর্তি হয় মানবিকে।খেয়ে না খেয়ে কষ্ট করে পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে যায় আমার কৃষক বাবা। 

মাধ্যমিকে জিপিএ -৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় হারবাং ইউনিয়ন এর  শাক্যমুনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। ভর্তি হয় বান্দরবান মহিলা সরকারি মহিলা কলেজে। কলেজে উঠে স্বপ্ন দেখি আইন নিয়ে পড়ব। উচ্চ মাধ্যমিকে ও জিপিএ -৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা,জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে পরীক্ষা দি।

চান্সও পায়,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে চান্স পেয়ে ভর্তি হয়,কিন্তু পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে চান্স পেয়ে আমার স্বপ্ন যেন হাতছানি ডাকছে, এমন অনুভব করি।তবে দূর্ভাগ্যবশত এখন বলতে হচ্ছে, অর্থের কারণে হয়তো আমার সেই স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে।আমি সকলের সহযোগিতা চাই।

ছাইনুমে মারমা আরও বলেন, যদি আমি আর্থিক সমস্যা কাটিয়ে পড়াশুনা শেষ করতে পারি। পার্বত্য এলাকার পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো। মানুষের ওপর নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হব।পাশাপাশি মানবিক কাজে হাত বাড়িয়ে দিব।

দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে ছাইনুমে মারমা মেজো। বড় ভাইও রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে ফিলোসফি নিয়ে পড়ছে। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারনে ছোট বোনও পড়ালেখা করেনা। তাদের বাবা মার সাথে ক্ষেতখামারে কাজ করে। 

ছাইনুমের বাবা থোয়াহ্লাখই মারমা বলেন,এখন মেয়েটা নাকি কোথায় যেন টিকছে।আমার সবটাই সমস্যা। কি করব বুঝে উঠতে পারছিনা।আপনাদের সহযোগী চাই এবং আমার মেয়ের জন্য দোয়া চাই।

ফাইতং ইউনিয়নের ২নং ওযার্ডের মেম্বার কামাল হাসান বলেন, মেয়েটি ছোট কাল থেকে মেধাবী। যদি একটু সুযোগ পায় তাহলে সে অনেক বড় কিছু হতে পারবে বলে আশা করছি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status