|
রিমালের প্রভাবে কমলনগরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত আতঙ্কে বাড়িঘর ছাড়ছেন বহু মানুষ
মোঃ এমরান হোসেন, কমলনগর
|
![]() রিমালের প্রভাবে কমলনগরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত আতঙ্কে বাড়িঘর ছাড়ছেন বহু মানুষ কমলনগর উপজেলার চরকালকিনি, সাহেবেরহাট, চরফলকন,চরলরেন্স ও পাটারীর এলাকা ঘুরে গেছে এখানে প্রায় ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে ফসলিজমিসহ নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । এদিকে কাঁচা বসতঘর, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানসহ ডুবে গেছে বিভিন্ন স্থাপনা।এ সময়ের রিমেল এর প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস মানুষের বসত বাড়িতে পানি তীব্র স্রোতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করতে থাকলে নিমাঞ্চলের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ছুটে চলেছেন বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র ও সাইক্লোন সেন্টারে। এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানি দ্রুতই ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে।সময় তারা আরো জানা ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে তারা শিশু বৃদ্ধ এবং গবাদি পশু নিয়ে খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুচিত্র রঞ্জন দাস, কমলনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তহিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বিশাস ও উপসহকারী প্রকৌশলী আবুল বাশার নয়ন প্রমুখ। জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য পাটারীরহাট মাছঘাট-বাজার, লুধুয়া মাছঘাট-বাজার, মাতাব্বর হাট, নাসিরগঞ্জ সহ বিভিন্ন হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং শতশত বাড়িঘর জলোচ্ছ্বাসে নিমজ্জিত। এসময় প্রচারে কাজ করছেন বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরাসহ সিপিপি'র ইউনিট সদস্যরা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
