|
ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন- ১৯ বিজয়ী ফেনীর ইসমত আরা
এনামুল হক বাদশা, ফেনী
|
![]() ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন- ১৯ বিজয়ী ফেনীর ইসমত আরা ক্যাশ ভাউচার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, ফেনীর মানুষ ওয়ালটনকে খুব বেশি ভালোবাসে। এজন্যই বোধহয় ওয়ালটনের সকল উপহার বেশি ফেনী বাসী বেশি বেশি পায়। কিছুদিন আগেও ফেনীতে ১০ লক্ষ টাকা বিজয়ী একজনকে পুরষ্কার বিতরণ করতে আমরা ফেনীতে এসেছিলাম। ইতোমধ্যে ওয়ালটনের পণ্য সমূহ সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে আলাদা গ্রহণ যোগ্যতা পেয়েছে। ওয়ালটন পণ্য দেশীয় উৎপাদিত সেরা পণ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষের কাছে আমার একটা অনুরোধ থাকবে, আপনার ওয়ালটন পণ্য সামগ্রী ব্যবহার করুন। গ্রাহকের কাছে সময়োপযোগী ও মানসম্মত পণ্য সামগ্রী পৌঁছে দিতে ওয়ালটন বদ্ধপরিকর। ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর প্রোডাক্ট ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম রেজা বলেন, ওয়ালটন গ্রাহকদের হাতে শুধু আন্তর্জাতিকমানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের ফ্রিজই তুলে দিচ্ছে না; সর্বোচ্চ বিক্রয়োত্তর সুবিধা প্রদানেও বদ্ধপরিকর। ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর সবসময় গণমানুষের কথা চিন্তা করে। শীতকালে আমরা এ অফার আয়োজন করেছি কাস্টমারদের কথা চিন্তা করেই। ওয়ালটন সবসময় তার গ্রাহকদের বাড়তি কিছু দিতে ভালোবাসে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৯ তারই অংশ। আমরা আমাদের গ্রাহক ক্যাশব্যাক ছাড়াও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দিয়ে থাকি। ২০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার লাভ করে উচ্ছ্বসিত ইসমত আরা ইয়াসমিন বলেন, চলতি মাসের ২০ তারিখে ওয়ালটন প্লাজা ছাগলনাইয়া শাখা থেকে ৪৮ হাজার ৪৯০ টাকা দিয়ে একটি ফ্রিজ কিনে ছিলাম। এরপর ওয়ালটন অফিস থেকে ফোন করে জানায় আমি ২০০% ক্যাশভাউচার পেয়েছি। বিজয়ী হয়ে আমি খুবই খুশী। তিনি আরও বলেন, চিত্রনায়ক আমিন খানের হাত থেকে সরাসরি পুরষ্কার নিতে পেরে আমার খুশীর মাত্রাটা আরও বেড়ে গিয়েছে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি ওয়ালটন পরিবারের সংশ্লিষ্ট সকলকে। তিনি বলেন, ওয়ালটন আমাদের দেশীয় পণ্য। গুনে মানে এটি অনন্য। আমি এর আগেও ওয়ালটনের পণ্য ব্যবহার করেছি। আমি সকলকে অনুরোধ করবো আপনারাও ওয়ালটন পণ্য ব্যবহার করুন এবং ক্যাশব্যাক জিতে নিন। ক্যাশ ভাউচার দিয়ে কি করবেন এমন প্রশ্নে ইসমত আরা বলেন এ ভাউচার দিয়ে আমি ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, ও রাইস কুকার সহ সংসারের কাজে প্রয়োজনীয় যাবতীয় ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী নিব। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন চিফ ডিভিশনাল অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল আজাদ, ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার হুমায়ুন কবীর খান, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ আরিফ মইনুদ্দিন, রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার রাশেনুর রহমান, রেফ্রিজারেটর প্রোডাক্ট ম্যানেজার মোঃ শহিদুল ইসলাম , ওয়ালটন প্লাজার ব্রান্ড ম্যানেজার, ওয়াহিদুজ্জামান, ফেনী চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মুশফিকুর রহমান পিপুল, ওয়ালটন প্লাজা শহীদ শহীদ্দুল্লাহ কায়সার সড়ক শাখা ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন, একাডেমি রোড শাখার ব্যবস্থাপক মাহেদুল ইসলাম,ছাগলনাইয়া শাখা ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ, ডিভিশনাল টিভি ইনচার্জ নুরুল আনোয়ার, ডিভিশনাল আইটি মনিটরিং ওমর ফারুক ভুইয়া প্রমুখ। ওয়ালটন কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয়ে এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা। সিজন-১৯ এর আওতায় ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ কেনার পর পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন ২০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচার। এছাড়াও পাবেন কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। প্রাপ্ত ক্যাশ ভাউচার দিয়ে ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো ওয়ালটনের যেকোনো পণ্য কিনতে পারবেন। ক্যাম্পেইন চলাকালীন ফ্রিজ কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন নিতে পারবেন ওয়ালটন গ্রাহকরা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
