গাঁজা খাওয়া এদেশে আইনত নিষিদ্ধ। আবার আপনি যত্রতত্র বিড়ি-সিগারেট খেতে পারলেও, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে তা পারবেন না। ট্রেনে যদি সিগারেট বা বিড়ি খেতে গিয়ে ধরা পড়েন, তাহলে তো জরিমানা পর্যন্ত দিতে হয়। ট্রেনে শুধু ধূমপান কেন, কোনও অ্যালকোহলযুক্ত পদার্থও খাওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু তারপরেও কি ট্রেনে কেউ ধূমপান করছে না, নাকি মদ্যপান করছে না? সবই চলছে বহাল তবিয়তে। আর যাঁরা ট্রেনের সফর করার সময় এই ধরনের ধূমপান বা মদ্যপানের ঘটনা চাক্ষুষ করেন, তাঁরা চুপটি করে মুখটা বন্ধ করে বসে থাকেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তি সরব হলেন। সোজা ভিডিয়ো তুলে ধরলেন। দাবি করলেন, সিগারেট নয়, চলন্ত ট্রেনেই চলছিল গঞ্জিকা সেবন। খবর নিউজ ১৮
গত সোমবার টুইটারে ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন পরমানন্দ কুমার শাও নামের এক ব্যক্তি। ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, ট্রেনের টয়লেটের বাইরে দাঁড়িয়ে ধূমপান করছে একটি মেয়ে। পরমানন্দ কুমার শাও নামের ওই টুইটার ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, একদল মেয়ে ট্রেনে সারারাত ধরে সিগারেট ও গাঁজা খেয়ে গিয়েছে, যারা তাঁর পাশেই বসেছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, ঘটনাটি ঘটেছিল টাটানগর-কাটিহার এক্সপ্রেসে। পরমানন্দ বাবু আর টুইটে উল্লেখ করেছেন এই মেয়েগুলি আসানসোল থেকে ট্রেনে উঠেছিল।
ভিডিয়োটি শেয়ার করে ওই ব্যক্তি টুইটারে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ট্যাগ করে দিয়েছেন। ওই ব্যবহারকারী টুইটারে লিখছেন, “এই মেয়েগুলো রাতভর গাঁজা আর সিগারেট খেয়েছে। টাটা কাটিহার ট্রেনে এরা আসানসোল থেকে উঠেছিল।” টুইটারে ওই পোস্টের রিপ্লাইয়ে রেলওয়ে সেবা-র তরফ থেকে তাঁর জার্নির বিশদ বিবরণ দিতে বলা হয়েছে।
পরমানন্দ কুমার শাওয়ের টুইটের রিপ্লাইয়ে রেলওয়ে সেবা-র তরফ থেকে বলা হয়েছে, “স্যর, আপনার জার্নির বিশদ তথ্য (PNR/Train No.) এবং মোবাইল নম্বর আমাদের DM (ডিরেক্ট মেসেজ) করে জানানোর অনুরোধ করছি। আপনি চাইলে সরাসরি http://railmadad.indianrailways.gov.in-এ বা 139 নম্বরে ডায়াল করে আপনার উদ্বেগের বিষয়টি জানাতে পারেন।”
ইউজারদের মধ্যে এই পোস্টটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কেউ বলেছেন, এসব নিয়ে বেশি ভাববেন না, এগুলো এখন নর্মাল হয়ে গিয়েছে। কেউ আবার ওই ব্যক্তির টুইট এবং তাঁর উদ্বেগ নিয়ে মজাও করেছেন।