ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১৭ মে ২০২৬ ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৭২ ঘণ্টার অভিযানে কামাল বাহিনীর প্রধান গ্রেপ্তার
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 16 February, 2022, 8:16 PM

৭২ ঘণ্টার অভিযানে কামাল বাহিনীর প্রধান গ্রেপ্তার

৭২ ঘণ্টার অভিযানে কামাল বাহিনীর প্রধান গ্রেপ্তার

৭২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে চট্টগ্রাম-হাতিয়া চ্যানেলের জেলেদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অপরাধে কুখ্যাত জলদস্যু কামাল বাহিনীর প্রধান কামালসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে অপহৃত হওয়া চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি ট্রলার উদ্ধার করা হয়।


গত শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার র‍্যাবের চান্দগাঁও ক্যাম্পে সম্মেলন করে এসব তথ্য জানায় র‍্যাব।

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন— নোয়াখালী সুবর্ণচরের মো. কামাল (৩৫) ও মো. নূর নবী (২৬), লক্ষীপুরের মো. শামীম (২৪), মো. এ্যানি (৩১) ও মো. ফেরদৌস মাঝি (৩৫)। তাদের মধ্যে মো. কামাল জলদস্যুদের মূল সমন্বয়কারী বলে দাবি করেছে র‍্যাব।

র‍্যাব জানায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম-হাতিয়া চ্যানেলে মাছ ধরা অবস্থায় একটি কাঠের ট্রলারসহ কয়েকজন জেলেকে অপহরণ করে একদল জলদস্যু। কোস্টগার্ড সূত্রে এমন সংবাদ পেয়ে অভিযান শুরু করে র‍্যাব। এক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জলদস্যু নেতা কামালের অবস্থান নগরের ইপিজেড থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে মোট পাঁচ জলদস্যুকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, দুটি ওয়ান শুটারগান, তিনটি রামদা, তিনটি চাপাতি ও একটি ধারালো চাকুসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, কামালই মূলত অপকর্মের পরিকল্পনা এবং ভুক্তভোগীদের আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা আদায় করতেন। তার নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কামালের দলের সদস্য নূর নবী টাকা পয়সা আদায় সংক্রান্তে তথ্য আদান-প্রদান ও তাদের খাবার সরবরাহ করতেন।

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারি পরিচালক মো. নূরুল আবছার বলেন, গ্রেপ্তার জলদস্যুদের মধ্যে মো. কামাল দলটির প্রধান ছিলো। সে তাদের বাহিনীর সকল অপকর্মের পরিকল্পনা করতো এবং অপহরণ করে ভিকটিমদের আত্বীয়-স্বজনদের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা আদায় করতো। কামালের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতিসহ দুইটিরও বেশি মামলা রয়েছে।

এছাড়াও গ্রেপ্তার জলদস্যু মো. নূরনবী ডাকাত দলের বোট এবং অপহরণের টাকা আদায় সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান ও তাদের খাবার সরবরাহ করতো। তার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসহ তিনটিরও বেশি মামলা রয়েছে। মো. শামীম, মো. এ্যানি মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত জেলেদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। সর্বশেষ গ্রেপ্তার জলদস্যু মো. ফেরদৌস ভিকটিমদের (জেলেদের) বোট চালিয়ে সাগর পারের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রাখার ব্যাপারে সহায়তা করতো। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে।

র‍্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, গ্রেপ্তার পাঁচ আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১২টায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ট্রলারসহ চারজন জেলেকে বঙ্গোপসাগরের চট্টগ্রাম হাতিয়া চ্যানেলে মাছ ধরা অবস্থায় অপহরণ করে। তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status