কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, বাড়িতে শেড দিয়ে তৈরি খামারে ব্রাহমা জাতের গরুটি বড় করে তুলি। এটির ওজন প্রায় এক টন। আদর করেই তার নাম দিয়েছি ‘কালা মানিক’। ঈদের আগে ঢাকার এক ব্যবসায়ী গরুটি আট লাখ টাকায় কিনেছিলেন।
এরপর গরুর শরীরে রোগ ধরা পড়ার বিষয়টি ওই ব্যবসায়ীকে জানানো হয়। পরে তিনি আর গরুটি নেননি। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়ালেও রোগ ভালো হয়নি। মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি গরুটি আর জীবিত নেই। এতে আমার আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গরুর খাবার ও চিকিৎসা বাবদ মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা ঋণ করেছি। মনে করেছিলাম চিকিৎসায় রোগ ভালো হয়ে যাবে। আমি এখন শেষ।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। শুনলে অবশ্যই ওই কৃষককে সহযোগিতা করা হবে।