কুয়াকাটা খানাবাদ গ্রামে লাকী আক্তার (২০) নামের এক বিবাহিতা নারী বাবার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে টিনের ঘরের চালায় রুয়ার সঙ্গে ফাঁস দেয় বলে ওই নারীর মা-বাবা দাবি করেছেন। ঘটনার পরপরই আশপাশের লোকজনের সহায়তায় কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ হাসপাতালে এসে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য বুধবার (২৮ জুলাই) সকালে পটুয়াখালী মর্গে পাঠায়।
মহিপুর থানার পুলিশ ও ওই নারীর পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে পরিবারের লোকজন রাতের খাবার খাওয়ার জন্য লাকী আক্তারকে খুঁজছিল। ডেকে সাড়া না পেয়ে বড় বোন খুশি আক্তার দেখতে পায় ঘরের দোতলায় গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে লাকী। এসময় তার ডাক চিৎকারে ঘরের অন্যান্যরা এবং আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয় লাকীকে।
জানা যায়, ওই গ্রামের আ. হক মুন্সির মেয়ে মৃত লাকী আক্তারের গত ৬ মাস আগে বিয়ে হয়। একই উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আক্কেলপুর গ্রামের মোকলেচ কাজীর ছেলে ফোরকানের সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই যৌতুক চাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। প্রায় একমাস আগে স্বামীর বাড়ি থেকে এসে লাকী বাবার বাড়ি অবস্থান নেয়। লাকীর বাবা আ. হক মুন্সী বলেন, আমার মেয়ে স্বামীর বাড়ির যৌতুকের চাপ নিতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণে লাকী আক্তার আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছি। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছি।