ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১২ বিয়ে করা স্বামীর বিরুদ্ধে ৩ স্ত্রীর অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Wednesday, 23 September, 2020, 6:42 PM

১২ বিয়ে করা স্বামীর বিরুদ্ধে ৩ স্ত্রীর অভিযোগ

১২ বিয়ে করা স্বামীর বিরুদ্ধে ৩ স্ত্রীর অভিযোগ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রতারণা করে ১২টি বিয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে শফিকুল ইসলাম (৪০) নামের এক মাইক্রোবাস চালকের বিরুদ্ধে। গেল সোমবার ওই প্রতারক স্বামীর বিচার ও স্ত্রীর অধিকার চেয়ে বর্তমান পাঁচ স্ত্রীর মধ্যে তিন স্ত্রী সখীপুর থানায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রেসক্লাব ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এতে প্রতারক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে মারধর, বিভিন্ন কৌশলে স্ত্রীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ, মুখ খুললে হত্যার হুমকিসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়।

জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের শোলাপ্রতীমা দক্ষিণপাড়া গ্রামের নূরু মিয়ার ছেলে মাইক্রোচালক শফিকুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর মধুপুর উপজেলার ১নং কুড়ালিয়া ইউনিয়ন কাজী অফিসে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর গ্রামের আঃ গফুরের মেয়ে বিউটি আক্তারকে বিয়ে করেন। ৮ মাস পর ২০১৯ সালের ৫ জুলাই প্রতারক শফিকুল ইসলাম গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কাজী অফিসে গাজীপুরের ভাওরাইদ গ্রামের রফিজ উদ্দিনের মেয়ে খোদেজা আক্তারকে দুই লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। এরই ৫ মাস পর ওই প্রতারক টাঙ্গাইল পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড কাজী অফিসে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান গ্রামের আক্কাস আলীর মেয়ে আকলিমা আক্তারকে তিন লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। এছাড়াও প্রতারক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে সুমি, আখি, খালেদা, শিল্পী, কোহিনুর, ফেরদৌসি ও শরীফা আক্তারসহ আরও একাধিক বিয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়।  

অভিযোগকারী বিউটি, খোদেজা ও আকলিমা আক্তার বলেন, শফিকুল প্রতারণা করে একে একে ১২টি বিয়ে করেছে। বর্তমানে আমরা তিনজনসহ তার ৫ জন স্ত্রী আছে। তারা প্রতারক শফিকুলকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি একাধিক বিয়ে করার কথা স্বীকার করেন। 

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

সখিপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সখীপুর শাখার সভাপতি জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদনা:  এম আলমগীর

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status