ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
যে কারণে হঠাৎ আলোচনায় ৮৩ জনের নাগাপ্পা পরিবার
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 14 July, 2026, 3:52 PM

যে কারণে হঠাৎ আলোচনায় ৮৩ জনের নাগাপ্পা পরিবার

যে কারণে হঠাৎ আলোচনায় ৮৩ জনের নাগাপ্পা পরিবার

বর্তমান সময়ে যখন একক পরিবারই সমাজের প্রচলিত বাস্তবতা, তখন ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলার কুরলাপল্লি গ্রামের নাগাপ্পা পরিবার এখনও যৌথ পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। ছয় প্রজন্মের ৮৩ সদস্যের এই পরিবার চারটি আলাদা বাড়িতে বসবাস করলেও তাদের রান্নাঘর একটাই। পরিবারের সবাই একসঙ্গে রান্না করা খাবারই খেয়ে থাকেন। সম্প্রতি পরিবারটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, নাগাপ্পা পরিবারের নেতৃত্বে রয়েছেন হনুমন্তরায়ুদু ও মুথিয়ালাপ্পা। তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরিবারে রয়েছেন ছয়জন শাশুড়ি, ১৪ জন পুত্রবধূ, ২০ জন শিশু এবং পরিবারের অন্যান্য বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যসহ মোট ৮৩ জন।

পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেশি হওয়ায় সবাই একটি বাড়িতে না থেকে পাশাপাশি চারটি বাড়িতে বসবাস করেন। তবে রান্না, খাবার, আয়-ব্যয় এবং পারিবারিক সিদ্ধান্ত— সবই যৌথভাবে পরিচালিত হয়। কৃষিকাজ, গৃহস্থালির দায়িত্ব এবং অন্যান্য কাজ সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।

হনুমন্তরায়ুদু পিটিআইকে জানান, প্রতিদিন সকালে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরা একত্রিত হয়ে কফি পান করতে করতে দিনের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করেন। সেই বৈঠকেই রান্নার মেনু, গৃহস্থালির কাজের বণ্টন, কৃষিকাজের দায়িত্ব এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর পরিবারের একাংশ মাঠে কৃষিকাজে যান, আর অন্যরা বাড়িতে থেকে রান্নাবান্না ও সংসারের অন্যান্য কাজ সামলান।

নাগাপ্পা পরিবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য তাদের যৌথ রান্নাঘর। চারটি পৃথক বাড়িতে বসবাস করলেও পরিবারের সবার জন্য এক জায়গাতেই রান্না করা হয়। প্রয়োজনীয় বাজার ও মুদি সামগ্রীর তদারকি করেন পরিবারের প্রবীণ সদস্যরা, আর পুত্রবধুরা সম্মিলিতভাবে পুরো পরিবারের জন্য রান্না করেন।

কৃষিকাজের পাশাপাশি পরিবারটির যৌথ মালিকানায় চারটি যাত্রীবাহী বাসও রয়েছে। এসব বাস অন্ধ্রপ্রদেশের কল্যাণদুর্গম এবং প্রতিবেশী কর্নাটকের বিভিন্ন রুটে চলাচল করে। কৃষি ও পরিবহন খাত থেকে অর্জিত সব আয় একত্রিত করে যৌথভাবে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা হয়।

যৌথ পরিবারব্যবস্থা ক্রমেই বিরল হয়ে ওঠার এই সময়ে নাগাপ্পা পরিবারের জীবনধারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এটিকে পারিবারিক ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত জীবনযাপনের একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

 সূত্র: আনন্দ বাজার


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status