ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
পাল্টে গেল নেপালের মানচিত্র
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Friday, 12 June, 2020, 7:10 PM

পাল্টে গেল নেপালের মানচিত্র

পাল্টে গেল নেপালের মানচিত্র

চলমান নভেল করোনাভাইরাসের মধ্যে প্রতিবেশী দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না ভারতের। লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে তীব্র উত্তেজনা ছাড়াও নেপালের সঙ্গে চলছে তিনটি জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব। ভারতের সঙ্গে বিতর্কিত লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধাউরাকে নতুন মানচিত্রে রেখে অনুমোদন দিয়েছে নেপালের সংসদ।

বিবিসি বাংলা এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নেপালের নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র এবং নতুন জাতীয় প্রতীক নির্ধারণে দেশের সংবিধান সংশোধনে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দিয়েছে নেপালের পার্লামেন্ট। নতুন এই মানচিত্র ও প্রতীকে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধাউরাকে নেপালের ভূখণ্ড হিসাবে প্রদর্শিত হবে।

১৮১৬ সালের সুগাউলি চুক্তি অনুযায়ী নেপাল এই দাবি করছে। যদিও ভারত সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে আসছে। মে মাসের মাঝামাঝিতে বিতর্কিত ভূখণ্ড কালাপানি আর লিপুলেখকে নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নেপালের সরকার।

তখন নেপালের মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকের পর সরকারের মুখপাত্র ও অর্থমন্ত্রী ইউভরাজ খাটিওয়াদা জানিয়েছেন, নতুন এই মানচিত্র স্কুল-কলেজের বইপত্রে, সরকারি প্রতীকে এবং অফিস-আদালতের সব কাগজপত্রে এখন থেকেই ব্যবহার করা হবে।

মঙ্গলবার রাতে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব পাস হওয়ার পর সদস্যরা রীতি অনুযায়ী দীর্ঘক্ষণ ধরে টেবিল চাপড়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। এখন প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী বান্দারি অনুমোদন দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংবিধান সংশোধন কার্যকর হবে।

নেপালের মানচিত্র এবং প্রতীক সংশোধন নিয়ে সংসদে বিতর্ক চলার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গাওয়ালি দিল্লির অসহযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ এবং হতাশা প্রকাশ করেন যে, নেপাল ওই ভূখণ্ডের দাবি নিয়ে কূটনীতিক আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ভারত তাতে সাড়া দেয়নি।

প্রদীপ গাওয়ালি বলেন, ‘আমরা খানিকটা আশাহত হয়েছি, কারণ সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবে আমরা কোনো সাড়া পাইনি। ভারত ও চীন যদি তাদের বিরোধ মেটাতে পারে, তাহলে নেপাল ও ভারত কেন সেটা করতে পারবে ন। আমি বিশ্বাস করি, কাঙ্ক্ষিত আলোচনাটি খুব তাড়াতাড়ি শুরু করা যাবে।’

করোনাভাইরাস সংকট মেটার পর বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড নিয়ে আলোচনা হবে বলে দিল্লি কাঠমান্ডুকে জানিয়েছে বলে জানা গেছে।

নেপালের স্থানীয় সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হয়েছে, পরস্পরের আস্থা অর্জনের জন্য পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করার জন্য কাঠমান্ডু দিল্লিকে অনুরোধ করেছে। তবে এই বিষয়ে দিল্লির অবস্থান এখনো পরিষ্কার নয়।

বিবিসি'র নেপালি সার্ভিস জানাচ্ছে, ভারতের দিক থেকে নেওয়া সাম্প্রতিক তিনটি পদক্ষেপ নেপাল সরকারের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। গত বছর ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে যেখানে এই বিতর্কিত ভূমি দু'টি তাদের অংশে অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status