ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর পর মারা গেলেন শাশুড়িও
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 16 May, 2020, 12:49 PM

এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর পর মারা গেলেন শাশুড়িও

এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর পর মারা গেলেন শাশুড়িও

স্বামীর সন্দেহ- তার স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত। এ কারণে তাকে ‘পাত্তা’ দিচ্ছেন না। এছাড়া তার প্রবাস জীবনে বিদেশ থেকে পাঠানো সব টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করেছেন। এ নিয়ে দুজনের বনিবনা হচ্ছিল না। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করতে থাকেন স্বামী। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন মা। তাকেও ছুরিকাঘাত করেন। এর ফলে ঘটনাস্থলেই মারা যান স্ত্রী।

আর গতকাল শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান শাশুড়িও। অন্যদিকে আশপাশের লোকজন ঘাতক আল মামুন মোহনকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। খুনের ঘটনায় মোহনসহ তার ভাই এবং বোনকে আসামি করে রিতুর চাচা লিয়াকত খান বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রকিব বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠায়। আর মা-মেয়ের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, আড়াই বছর আগে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরের শায়েস্তানগর গ্রামের মনতাজ মাস্টারের ছেলে আল মামুন মোহনের সঙ্গে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া গ্রামের সেলিম খানের মেয়ে তানজিনা আক্তার রিতুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর মোহন সৌদি আরবে গেলেও গত দেড় বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। গত ১৩ মে বুধবার বিকালে মোহন তার শ্বশুরবাড়িতে আসেন। কিন্তু ইফতারের আগে রিতুর সঙ্গে মোহনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মোহন স্ত্রীকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় মেয়ের আর্তচিৎকারে মা পারভীন আক্তার তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে মোহন তাকেও ছুরিকাঘাত করে মারাত্মক জখম করেন।

এদিকে মা ও মেয়েকে দ্রুত ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিতুকে মৃত ঘোষণা করেন। আর পারভীন আক্তারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে এনে ভর্তি করান। অবশেষে দুদিন চিকিৎসার পর শুক্রবার ভোরে তিনিও মারা যান।

নিহত রিতুর মামি তাছলিমা বেগম জানান, সৌদি আরব থেকে মোহন চলে আসার পর বেকার ছিলেন। তাই বিয়ের সময় রিতুকে দেওয়া স্বর্ণালংকার নিয়ে বিক্রি করে ফেলেন। তাই রিতু বাপের বাড়ি থেকেই পড়ালেখা করতেন। অপরদিকে স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত বলে সন্দেহ করতেন মোহন। আর এ নিয়ে প্রায়ই তাদের ঝগড়া হতো।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status