বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চুয়াডাঙ্গায় আঘাত হানে এই টর্নেডো। এতে জেলার বিভিন্ন স্থানে শত শত গাছপালা ভেঙে গেছে। ঘরবাড়ি ভেঙে গৃহহীন হয়ে পড়েছে অসংখ্য মানুষ। অনেকে মাথা গোঁজার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। আহত হয়েছেন ২৫ জন।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক সামাদুল হক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমে ভারী বৃষ্টি হয়। পরে প্রচণ্ড বেগে টর্নেডো আঘাত হানে। এতে সদর উপজেলাসহ দামুড়হুদা, জীবননগর ও আলমডাঙ্গার বিস্তীর্ণ গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরো জানান, টর্নেডোর স্থায়িত্ব আধঘণ্টা হলেও মূল টর্নেডো ছিল পাঁচ মিনিট। এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫ কিলোমিটার। বৃষ্টি হয়েছে ৩১ মি.মি.।
স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, ঘটনার দিন রাতে আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। মধ্যরাতে ভারী বৃষ্টি হওয়ায় তেমন গুরুত্ব দেয়নি। এরপর প্রচণ্ড বেগে টর্নেডো আঘাত হানে। এতে গ্রামের অসংখ্য গাছাপালা উপড়ে পড়ে। বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েকশ কাঁচা-আধা পাকা ঘর ও টিনের ছাউনি। বিভিন্ন স্থানে গাছ ভেঙে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এদিকে টর্নেডোর পর থেকে জেলার চারটি উপজেলাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ইন্টারনেট ব্যবস্থাও।